Monday, January 12, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদআন্তর্জাতিক বাজারে রাবারের মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার কারণে বর্তমান সময়ে রাবার চাষিদের মাথায়...

আন্তর্জাতিক বাজারে রাবারের মূল্য নিম্নমুখী হওয়ার কারণে বর্তমান সময়ে রাবার চাষিদের মাথায় বাজ পড়ার উপক্রম হয়েছে

খোয়াই প্রতিনিধি ১৫ই জুন…. একে তো দ্রব্য মূল্য ঊর্ধ্বগতিতে চলছে আর অন্যদিকে কাঁচা ও শুকনো রাবারের দাম দিন দিন নিম্ন গতিতে চলে যাচ্ছে। ত্রিপুরা রাজ্য তথা খোয়াই এর বিস্তীর্ণ এলাকার জাতীয় উপজাতির জনগণ এই রাবার চাষের উপর নির্ভর করে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই রাবার চাষের উপর ভিত্তি করে পরিবার প্রতিপালন ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনা সবকিছু নির্ভর করে খোয়াইয়ের বিস্তীর্ণ এলাকার রাবার চাষীদের জীবন চলছে। কিন্তু দেখা গেছে গত কয়েক মাস ধরে হঠাৎ করে রাবারের দাম নিম্ন মুখী হওয়াতে রাবার চাষিরা বিপাকে পড়েছে । অন্যদিকে একটা বৃহৎ অংশের রাবার শ্রমিক রাবার চাষীদের উপর নির্ভর করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। কাঁচা ও শুকনো রাবারের মূল্য এবছর বিগত বছরগুলি থেকে কমতে শুরু করতে রাবার চাষীরা প্রতিদিন শ্রমিকের মজুরি প্রদান করা বর্তমান সময় কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর শুকনো সাধারণ রাবার শীটের মূল্য ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা হয়েছিল সেই সময় চাষীদের রাবার শ্রমিকের মজুরি প্রদান করার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা হয়নি কিন্তু এ বছর বর্তমানে সাধারণ শুকনো রাবার সিটের দাম ১১০ থেকে ১১৫ টাকা হয়ে যাওয়াতে রাবার শ্রমিকের মজুরি প্রদান করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে মালিকদের। অন্যদিকে রাবারজাত দ্রব্য সামগ্রী গুলির মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, চাষীদের বক্তব্য রাবারজাত দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে অথচ কাঁচা এবং শুকনো রাবারের মূল্য চাষিরা সেই রকম ভাবে পাচ্ছে না এর পেছনে কি রহস্য আছে এটা বোঝা বড় মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে এক প্রবীন রাবার চাষী জানান। প্রবীন ওই রাবার চাষী এও জানিয়েছেন রাজ্য তথা খোয়াই এর রাবার রাজ্যের অর্থনীতির উন্নতি করার ক্ষেত্রে বিশাল ভূমিকা নিয়ে আছে দীর্ঘ বছর ধরে। রাজ্যের একটা ভালো সংখ্যক নাগরিক এই রাবার চাষের উপর নির্ভর করে অর্থনৈতিক বুনিয়াদ উন্নতি করতে পেরেছেন বিশেষ করে উপজাতি এলাকাগুলিতে ৮০ শতাংশ মানুষ রাবার চাষের উপর কোন না কোন ভাবে জড়িয়ে আছেন। আগামী দিনে এই রাবার চাষকে ভিত্তি করে রাজ্যের অর্থনীতি উন্নত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করবে বলে উনার ধারণা। এখনো খোয়াই সহ রাজ্যের উপজাতি এলাকাগুলিতে প্রচুর পরিমাণ টিলা জমি পতীত পড়ে আছে সেগুলিকে কাজে লাগিয়ে রাজ্যের মানুষ উপকৃত হতে পারবে ।এখন প্রশ্ন হল দিন দিন রাবারের মূল্য কমতে থাকলে চাষীদের রাবার চাষের উপর সেই রকম আগ্রহ দেখা যাবে না। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ সঠিকভাবে নজর প্রদান করলে অর্থাৎ রাবারের মূল্য বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে কোন ভূমিকা গ্রহণ করা সম্ভব হলে চাষিরা উপকৃত হবে এবং আগামী দিনে রাজ্যের অর্থনীতিতেও এর ভালো প্রভাব পড়বে। এখন দেখার বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যাতে করে বর্তমান সময়ে রাবার চাষিরা এই দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পায়। বাসুদেব ভট্টাচার্য খোয়াই

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

eight − one =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য