বসন্তের শুরুতেই গ্ৰীষ্মের ছাপ। প্রখর রৌদ্রের তাপে জলাশয় যেমন ফেটে চৌচির ঠিক তেমনি কৃষকে’র কৃষি জমিও জল শূন্যতায় খা-খা করছে। এনিয়ে বুরো চাষীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ। তবে বসন্ত কালেই খড়ার পদধ্বনি নয় তো (!) বুরো চাষীরা দিশেহারা হয়ে জলের শূন্যতা মেটাতে এ প্রান্তর থেকে অন্য প্রান্তর ঘুরে বেড়াচ্ছে। কৃষি জমির পার্শ্ববর্তী স্থান দিয়ে বয়ে যাওয়া ক্যানেল গুলিও শুকিয়ে কাঠ, ক্যানেল গুলিতে জলের বদলে আগাছার ছয়লাপ। এমতাবস্থায় কৃষকেরা কি করবে তা নিয়ে দিশেহারা। রবিবার ছুটির দিনে শহুরে মানুষজন যখন ব্যাস্ত আরাম-আয়েশে ঠিক তখনই এর ঠিক উল্টো চিত্র পরিলক্ষিত হল তেলিয়ামুড়া মহকুমার উত্তর কৃষ্ণপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের অধীনস্থ চামপ্লাই এলাকায় গিয়ে। সেখানে গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেল পর্যাপ্ত পরিমাণে জলের অভাবে কৃষকদের বুরো ধান চাষ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। কথা প্রসঙ্গে চামপ্লাই এলাকার এক কৃষক জানান,, ক্যানেলে জল আসে না, তাছাড়া এলাকার ২টি পাম্প মেশিনের মধ্যে ১টি বিকল। ফলে গোটা এলাকার বুরো চাষীদের ১টি মাত্র পাম্প মেশিনের উপর ভরসা করতে হচ্ছে। তাছাড়া ওই কৃষক কথা প্রসঙ্গে আরও জানান,, এই এলাকায় প্রায় ৮০ কানি কৃষিজ জমি রয়েছে। জলের অভাবে কৃষকেরা বুরো ধান চাষ করতে পারছে না। ফলে ওই জমি গুলি অধিকাংশই “খিল” জমিতে পরিণত হচ্ছে। জলের অভাবে ট্রাক্টর লাগিয়েও চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া বুরো ধান চাষ করতে গেলে ধান গাছের গুঁড়ার মাটি ভেজা থাকতে হয়, কিন্তু জলের অভাবে তাও সম্ভব নয়। ফলে সব মিলিয়ে বুরো চাষীদের কপালে একটা দুশ্চিন্তার কালো মেঘের ঘনঘটা দেখা দিয়েছে।



