অসমের সুতারকান্দি বিওপি থেকে এনএলএফটি (বিএম) উগ্রপন্থী সংঘটনের এক বৈরীকে শুক্রবার রাজ্যের ধর্মনগরে নিয়ে আসলো ত্রিপুরা পুলিশ।ধৃত বৈরীর নাম বিধু দেববর্মা (৫১) পিতা চন্দ্রমনু দেববর্মা।বাড়ি খোয়াই জেলার দেবেন্দ্র চৌধুরী পাড়া এলাকায়। জানা গেছে ,সে বেশ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের জেলে ছিল।জেলের মেয়াদ শেষ হলে বাংলাদেশ ও রাজ্য পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের আলোচনা ক্রমে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা তাকে অসমের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি বিএসএফ এর হাতে তুলে দেয়।পরে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশে এদিন অসমের সুতারকান্দি বিওপি থেকে ঐ বৈরীকে উত্তর জেলার ডিএসপি পান্না লাল সেনের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসে।বর্তমানে ঐ বৈরীকে ধর্মনগর থানায় কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এদিকে ধৃত বৈরী বিধু জানায়, ৮০ এবং ৯০ দশকে সে এন এল এফ টি এবং বিশ্ব মোহন উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিল। কালেভদ্রে ধিরে ধিরে রাজ্য থেকে উগ্রপন্থী সংগঠন নিশ্চিহ্ন হতে থাকে। ২০১৫ সালে বিধুও উত্তর জেলার পানিসাগর বি এস এফ হেডকোয়ার্টারে আত্মসমর্পণ করে।তারপর ২০১৯ সালে বাংলাদেশের কাখরিছড়ি এলাকায় নিজের স্ত্রীকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ যায়। তখন বাংলাদেশ পুলিশ তাকে উগ্রপন্থী সংগঠনের সদস্য বলে গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে তার সাজার মেয়াদ শেষ হলে তাকে পুনরায় বাংলাদেশ পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষী জোয়ানরা বিএসএফ এর হাতে তুলে দেয়।তবে রাজ্য পুলিশ ধৃতের জবানবন্দির উপর দাঁড়িয়ে না থেকে খতিয়ে দেখছে সে আত্মসমর্পণের পর পুনরায় কোন উগ্রপন্থী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়েছে কিনা। যদিও পুলিশ গোটা ঘটনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তদন্ত করছে।



