রাজ্যে প্রতিনিয়ত যান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ সোনামুড়া থেকে বক্সনগর যাওয়ার পথে বক্সনগর রহিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ইয়াসিন মিয়া(১৬) পিতা রং মিয়া অপর জন হলো মুশারফ হোসেন বয়স (১৭) পিতা আলমগীর আলম। তারা দ্রুতগতিতে TR 07E70 এবেনজার বাইকটিকে নিয়ে বক্সনগরে আসার পথে দক্ষিণ কলমচৌড়া লোকনাথ মন্দিরের কাছে রাস্তার পাশে ইলেকট্রিকের খুঁটির সাথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে এতে করে দুজন বাইক আরোহী ছিটকে পড়ে যায়। আর তাদের বাইকটি সামনের জায়গা ধুমরে-মুচড়ে ভেঙে যায়।এরপর প্রত্যক্ষদর্শীরা দেখতে পেয়ে এদেরকে তড়িঘড়ি করে বক্সনগর প্রাথমিক হাসপাতালে নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা চালায়।এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান কলমচৌড়া থানার পুলিশ। জানা যায় কলমচৌড়া থানার অন্তর্গত প্রায় প্রত্যেকটি অঞ্চলেই স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত বাইক আরোহীরা ট্রাফিক বিদীর কোন তোয়াক্কা না করে এমন কি মাথায় হ্যালমেট না পড়ে এরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে প্রতিনিয়ত বাইক নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে।এতে করে একদিকে যেমন বাইক আরোহীরা প্রবল দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে থাকে। আর এদের থেকে বাদ যায়নি পথচারীরাও । বিগত কিছুদিন পূর্বে বক্সনগর দক্ষিণপাড়া স্থিত এক বাইক আরোহীর ভাইকের সজুরে ধাক্কায় এক নয় বছরের বালক গুরুতর ভাবে আহত হয়েছিল। বর্তমানে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সে চেন্নাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে অভিভাবকদের খামখেয়ালি পনা এবং অন্যত্র কারণ হচ্ছে প্রশাসনিক দুর্বলতা। তাছাড়াও রাজ্যের প্রত্যেকটি গ্রাম অঞ্চলের রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা।এখন দেখার বিষয় প্রশাসন এই দুর্ঘটনার বিষয়ে কি ভূমিকা গ্রহণ করে।



