আজ বিধানসভার অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৪,৬৭৬ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। বিরোধী দলের সদস্যদের আনা ২০টি ছাটাই প্রস্তাব খুনি ভোটে বাতিল হওয়ার পর অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাবের উপর আনা ছাটাই প্রস্তাবগুলির বিরোধীতা করে বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, মানব সভ্যতার বিকাশে বিদ্যুতের প্রয়োজন অপরিহার্য। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। এজন্য বিভিন্ন পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। এর পাশাপাশি অপ্রচলিত শক্তি ব্যবহার বাড়ানোর জন্যও কাজ চলছে। তিনি বলেন, রাজ্যে বিদ্যুৎ পরিকাঠামো উন্নয়নে এবং ত্রিপুরা বিদ্যুৎ নিগমকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বন দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা বলেন, বনভূমি রক্ষায় রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করছে। বনজ সম্পদ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বনভূমি রক্ষায় ফরেস্টার এবং ফরেস্ট গার্ড পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বনজ সম্পদ যেন বহিরাজ্যে পাচার না হতে পারে তারজন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বনভূমি রক্ষায় এবং বনসৃজণে তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি ছাটাই প্রস্তাবগুলির বিরোধীতা করেন। বিরোধী দলের সদস্যদের আনা ছাটাই প্রস্তাবগুলির বিরোধীতা করে বক্তব্য রাখেন উচ্চশিক্ষা ও পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মণ। তিনি বলেন, রাজ্যের সর্বত্র গ্রামীণ পরিষেবা বজায় রাখতে রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই কাজে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষা নীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য রাজ্য সরকার কাজ করছে। বিভিন্ন কলেজে অতিরিক্ত শ্রেণী কক্ষ নির্মাণ, ছাত্রাবাস নির্মাণ, প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে।
আজ বিধানসভায় অতিরিক্ত ব্যয় বরাদ্দের উপর ছাটাই প্রস্তাব এনে আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। তিনি বলেন, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিভিন্ন কাজ শেষ করা প্রয়োজন। আলোচনায় অংশ নেন বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায় এবং বিধায়ক শৈলেন্দ্র চন্দ্র নাথ।



