পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রজ্ঞাভবনের ১নং হলে আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক একদিনের গ্রামীণ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল। কর্মশালায় স্বচ্ছ ভারত মিশনের গ্রামীণ প্রকল্পে কঠিন ও তরল বর্জ্য পদার্থ ব্যবস্থাপনার বিষয় সহ পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, জল জীবন মিশনের বাস্তবায়ণ এবং গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল এই কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে বলেন, ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব জেলার প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে স্বনির্ভর করা। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত আত্মনির্ভর হলে জেলার প্রতিটি ব্লক শক্তিশালী হবে। সেই সাথে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাও রাজ্যে একটি আদর্শ ও শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। স্বচ্ছ ভারত মিশনের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিচ্ছন্নতার প্রকল্প রূপায়ণ করতে হবে। জল জীবন মিশনের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের বাড়িতে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌছে দিতে হবে। উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির পরিষেবা, গর্ভবতী মা ও শিশুর টিকাকরণ সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা তা খোঁজ রাখতে হবে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের অর্থব্যয়ে গ্রামীণ রাস্তাঘাট সহ অন্যান্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সঠিকভাবে হয়েছে কিনা তারও তদারকি করতে হবে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক ও সমাহর্তা অরূপ দেব। কর্মশালায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পশ্চিম জেলায় স্বচ্ছ ভারত মিশন গ্রামীণ প্রকল্পে বিভিন্ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ণ ও ফান্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এল ডব্লিউ এম, স্পেশালিস্ট এস পি এম ইউ টিম লিডার ড. রাজা মিস্ত্রি। কঠিন ও তরল বর্জ্য পদার্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন পশ্চিম জেলার এল ডব্লিউ এম স্পেশালিস্ট ডিপিএমইউ পার্থ কুমার সুটার। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় নিয়ে আলোচনা করেন রাজ্য পঞ্চায়েত রিসোর্স সেন্টারের ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের ফ্যাকাল্টি ড. শুভায়ন চক্রবর্তী। পশ্চিম জেলার বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান সদস্য সদস্যাগণ এবং গ্রাম পঞ্চায়েত সচিবগণ এই কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণও কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।



