Friday, January 9, 2026
বাড়িখবররাজ্যবিকশিত ভারত জি রাম জি আইন ভারতের প্রামীণ কর্মসংস্থানে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন:...

বিকশিত ভারত জি রাম জি আইন ভারতের প্রামীণ কর্মসংস্থানে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন: কৃষিমন্ত্রী

বিকশিত ভারত জি রাম জি আইন ২০২৫ ভারতের গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন। এটি এমজিএন রেগার সীমাবদ্ধতা দূর করে গ্রামীণ কর্মসংস্থানকে সুস্থায়ী উন্নয়নে হাতিয়ারে পরিণত করবে। আজ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ তার অফিস কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এন্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) নতুন আইন সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখ করে একথা বলেন। তিনি জানান, পূর্বতন এমজি এন আর ই জি-এ অর্থাৎ রেগা প্রকল্পের পরিবর্তে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এন্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)-২০২৫ নতুন আইন প্রবর্তন করা হয়েছে। এই আইনে গ্রামীণ পরিবারের জন্য কর্মসংস্থানের গ্যারান্টি ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। নতুন এই আইনে ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার শতকরা ৯০ টাকা দেবে এবং রাজ্যগুলি দেবে ১০ টাকা। অন্যান্য রাজ্যগুলির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দেবে ৬০ টাকা এবং রাজ্যগুলি দেবে ৪০ টাকা। প্রশাসনিক ব্যয় ৬ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১ শতাংশ করা হয়েছে। বিকশিত ভারত ডি রাম জি আইনে মজুরি প্রদানের সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং কাজকে ৪টি ক্ষেত্রের পরিকাঠামো উন্নয়ন যেমন জল সুরক্ষা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, জীবিকা সম্পর্কিত পরিকাঠামো ও জলবায়ু সহনশীলতা সংক্রান্ত বিষয়টিকে যুক্ত করা হয়েছে। নতুন এই আইনে জীবনজীবিকার পাশাপাশি রোজগারের সাথে আত্মনির্ভর হওয়ার বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্রামের সুস্থায়ী উন্নয়নেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ত্রাণ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনে এই আইন শিথিল করা যাবে, যেটা আগে ছিল না। এই আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ধান রোপন এবং ফসল কাটার সময় ইচ্ছা করলে ৬০ দিন কাজ বন্ধ রাখতে পারবে। এর মূল কারণ হচ্ছে, যেন কোন ভাবেই কৃষি শ্রমিকের অভাবে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত না হয়। সরকারের মূল লক্ষ্যই হলো আত্মনির্ভর হওয়া এবং পৃথিবীর মধ্যে ভারতকে শস্য ভান্ডার হিসেবে গড়ে তোলা। এই জন্য সরকার দেশের গ্রামীণ ও প্রান্তিক এলাকায় বসবাসকারী জনগণের। সার্বিক বিকাশে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে কাজ করছে। কৃষিমন্ত্রী শ্রীনাথ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে নতুন এই আইন প্রণয়নের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী আরও জানান, এমজিএন রেগা প্রকল্পে আগে যে অর্থ রাজ্যে আসত, এখন নতুন এই আইন প্রণয়নের ফলে আগের থেকে অধিক অর্থ রাজ্যে আসবে। তিনি জানান, রাজ্যে গত ৭ বছরে রেগার জন্য অর্থ এসেছে ৭ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। ৮ লক্ষ ১০ হাজার সম্পদ সৃষ্টি হয়েছে। গ্রামীণ এলাকার মানুষের কাছে মজুরি হিসেবে ৫ হাজার ৩৩২ কোটি টাকা পৌঁছেছে। যা বিগত সরকারের সময়কালের শেষ ৭ বছর থেকে বেশি। কৃষিমন্ত্রী জানান, রাজ্যে জবকার্ডের সংখ্যা ৬ লক্ষ ৫৬ হাজার এবং শ্রমিক রয়েছেন ১০ লক্ষ ২০ হাজার।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

ten − five =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য