রাজ্যের স্কুলগুলিতে রয়েছে শিক্ষকের স্বল্পতা। এতে করে ব্যাহত হচ্ছে পঠন-পাঠন। এর মধ্যে আবার কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি রাজ্যেও অনেকাংশে লাঘু করার ফলে বিপাকে পড়েছেন পড়ুয়ারা। শুধু তাই নয় রাজ্যের অধিকাংশ স্কুলে এখনো জনজাতি ছাত্র-ছাত্রীদের ককবরক ভাষায় পঠন পাঠন চালু নেই। রয়েছে স্কলারশিপ নিয়ে তালবাহানা। এরকম একগুচ্ছ অভিযোগ এনে আবারো রাস্তায় নামল বামপন্থী উপজাতি ছাত্র সংগঠন উপজাতি ছাত্র ইউনিয়ন। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৫ দফা দাবিতে উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তার নিকট গনডেপুটেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মিছিলের কর্মসূচি বাতিল করে ইউনিয়ন দাবীগুলি আদায়ের লক্ষ্যে প্রতিনিধি মূলক ডেপুটেশন প্রদান করল শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তার নিকট। এদিনের এই প্রতিনিধি মূলক ডেপুটেশনের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজিত ত্রিপুরা। পাঁচজনের এক প্রতিনিধি দল দপ্তরের অধিকর্তার সাথে মিলিত হয়ে তাদের দাবি তুলে দিয়ে অবিলম্বে সেগুলি বাস্তবায়নের দাবি জানান। তাদের দাবি স্কুলগুলিতে শিক্ষকের স্বল্পতা দূর করতে অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ। জাতীয় শিক্ষানীতি বাতিল করা, ককবরক ভাষায় স্কুলগুলিতে শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ সহ সঠিক সময়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে স্কলারশিপ বিতরণ করা। দাবিগুলি তুলে ধরে এমনটাই জানালেন ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা শ্রী ত্রিপুরা।



