আগরতলায় ১৩০০ মেট্রিক টন মুসুরি ডাল এসে পৌঁছেছে। রাজ্যের রেশন সপ ও আই সি ডি এস সেন্টার গুলোতে মুসুরি ডাল পৌঁছতে শুরু করেছে। আগামি দুই তিন দিনের মধ্যে রাজ্যের ২০৫৬ টি রেশন শপে মুসুরি ডাল পৌঁছুবে। পর্যায়ক্রমে আই সি ডি এস সেন্টার গুলোতেও মুসুরি ডাল পৌঁছুবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। রাজ্যে প্রতিদিন ৩২ মেট্রিক টন মুসুরি ডাল প্রয়োজন। যে পরিমাণ ডাল এসে পৌঁছেছে তা দিয়ে ৪০ দিন বিভিন্ন আই সি ডি এস ও রেশন শপে তা প্রদান করা যাবে। অর্থাৎ ৪০ দিনের ষ্টক বুধবার রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। রাজ্য সরকারের তরফে আগামি দু একদিনের মধ্যে পরবর্তী স্টকের জন্য কেন্দ্রের নাফেদের কাছে জানানো হবে যাতে ভোক্তাদের মুসুরি ডালের অভাবে অসুবিধায় পড়তে না হয়। এদিন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী জানান রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে রেশন সপে এ পি এল ভোক্তাদের ক্ষেত্রে মুসুরি ডালের মুল্য ৮৪ টাকা প্রতি কেজি থেকে কমিয়ে ৮২ টাকা প্রতি কেজি করা হবে। পাশাপাশি বি পি এল ও অন্তোদয়ের ক্ষেত্রেও মুসুরি ডাল প্রতি কেজিতে ২ টাকা কমানোর সিধান্ত নিয়েছে সরকার। এখন থেকে এদের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি ৫৯ টাকার বদলে ৫৭ টাকা প্রদান করতে হবে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন রাজ্যে প্রতি দিন চাল প্রয়োজন ৯২০ মেট্রিক টন। এই সময় রাজ্যে চাল মজুত রয়েছে ৬৩ হাজার ৭০১ মেট্রিক টন যা দিয়ে ৯৪ দিন চালানো যাবে। এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেমন গম, চিনি, লবণ, পেট্রোল, ডিজেল ইত্যাদি ও যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে। সাধারণত বর্ষার সময় আর্টিফিশিয়াল ক্রাইসিস তৈরি হয়। কিন্তু এ সময় এমন কিছুর কোন সম্ভাবনা নেই বলে এদিন স্পষ্ট করেন তিনি।



