প্রশাসনের নির্দেশে আরক্ষা প্রশাসনের কর্মীরা নেশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে প্রতিনিয়ত নেশা বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসলেও, থেমে নেই নেশার রমরমা কারবার। পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে নিত্য নতুন কায়দায় নেশার বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে নেশা কারবারিরা। নতুন পদ্ধতিতে শহরে চলছে এখন ব্রাউন সুগারের মত বিষাক্ত নেশার বাণিজ্য। নেশা কারবারিরা এখন ব্যবহার করছেন সরকারি অফিসের ভিআইপিদের নেমপ্লেট। মূলত ভিআইপিদের গাড়ি পুলিশের চেকিং এর আওতায় বাইরে থাকে অনেকটাই। তাই এরই সুযোগ নিয়ে নেশা কারবারিরা ভিআইপিদের নেমপ্লেট ব্যবহার করে চালিয়ে আসছে রমরমা নেশার বাণিজ্য। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এমন তথ্য পেয়ে নেশা কারবারীদের বিরুদ্ধে ময়দানে নেমে এবার সাফল্য পেল আগরতলা পূর্ব থানার পুলিশ। পুলিশ অভিযানে নেমে থানার অন্তর্গত বোধজং স্কুল সংলগ্ন মরা চৌমুনি এলাকা থেকে সরকারি অফিসের নেমপ্লেট ব্যবহারকারী একটি চার চাকার ভিআইপি গাড়ি থেকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় দুই প্যাকেট ব্রাউন সুগার। যার বাজার মূল্য আনুমানিক প্রায় লক্ষাধিক টাকা। একই সাথে পুলিশ আটক করে কানু ও তাপস নামে দুই ব্যক্তিকে। যে গাড়িটিকে বাজেয়াপ্ত করা হয় সেই গাড়িটির মধ্যে ডেপুটি ডাইরেক্টর আরবান এর সাইনবোর্ড লাগানোর ছিল। রবিবার আগরতলা পূর্ব থানায় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের এই সাফল্যের কথা জানালেন সদরের এসডিপিও দেবপ্রসাদ রায়। একই সাথে এদিন তিনি আরো জানান পুলিশ গতকাল টাকারজলার রামপাড়া থেকে চুরি হওয়া একটি বাইক সহ এক বাইক চোরকে আটক করতে সক্ষম হয়। গত ৯ জুলাই অভয়নগর মণিপুরী বস্তি থেকে বাইকটি চুরি হয়েছিল। অভিযোগ মূলে তদন্তে নেমে পুলিশ অবশেষে বাইক সহ চোরকে জালে তুলতে সক্ষম হয়।



