সিবিএসসি বোর্ডের ডিরেক্টর বিবেক নগর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ে অতি সম্প্রতি সিবিএসসির সামিটে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে চলতি শিক্ষা বর্ষ থেকে সিবিএসসি আওতাধীন সমস্ত স্কুলের বোর্ডের পরীক্ষা হিন্দি ও ইংরেজিতে দিতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে ১০০ টি স্কুল রয়েছে সিবিএসসির আওতায়। সঙ্গে বিদ্যাজ্যোতির ১০০ টি সরকারি স্কুলও সি বি এস সির অধীনে চলে গেছে। এই অবস্থায় বোর্ডের ডিরেক্টরের ঘোষণার পর রাজ্যের সিবিএসসির উদ্দিন ২০০ টি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ বাঙালি ছাত্র যুব সমাজের। তাদের অভিমত বিদ্যাজ্যোতির আওতাধীন অনেক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা প্রাক প্রাথমিকস্তর থেকে বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছে। ইংরেজি, বিশেষ করে হিন্দির সঙ্গে এদের কোন পরিচয়ই নেই। ফলে চলতি চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই যদি বাংলাকে বাদ দিয়ে শুধু ইংরেজি ও হিন্দিতে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হয় তবে তাদের পরীক্ষা পাস করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পে স্কুলগুলিকে অন্তর্ভুক্তির আগে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের বলা হয়েছিল বাংলা মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা ভবিষ্যতে বাংলাতেই পরীক্ষা দিতে পারবে। তাই তখন কেউ আপত্তি তুলেনি। এখন সিবিএসসি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী যারা হিন্দি ইংরেজি মাধ্যমে পরীক্ষা বসতে সক্ষম নয় তারা বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষা দিতে পারবে তবে এর জন্য তাদেরকে ত্রিপুরা বোর্ডে নাম রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে। এতে করে ছাত্রছাত্রীদের পুরো বছর নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে। রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই ছেলে খেলা বাঙালি ছাত্র যুব সমাজ ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি কোনভাবেই মেনে নেবে না। রবিবার আগরতলায় সংগঠনের রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বলেন বাঙালি যুব সমাজের সচিব গৌতম দেব। একই সাথে এদিন শ্রীদেব দাবি জানান চলতি বছরে ত্রিপুরাতে সিবিএসই অধীন সমস্ত বিদ্যালয় গুলিতে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায় বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বিদ্যা যদি স্কুলে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে সবরকম ফি আদায় বন্ধ করা এবং বাংলার অধ্যুষিত অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে বাংলাকে সিবিএসসি শিক্ষার পাঠ্যক্রমে স্থান দেওয়ার।



