পারিবারিক বিবাদের জেরে গভীর রাতে সশস্ত্র অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে হিংসাত্মক তাণ্ডব গুণধর জামাইয়ের। আর এই তান্ডবের জেরে ভগ্নিপতির হাতে খুন হলেন শ্যালক। শুধু তাই নয়, এতে গুরুতর জখম হলেন শশুর শাশুড়িও। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে আগরতলা শহরতলী বোধজংনগর এলাকায়। মৃত যুবকের নাম সুমন দেবনাথ। নিজের বাড়িতেই ভগ্নিপতির ছুরির আঘাতে মৃত্যু হয় সুমনের। গুরুতর আহত অবস্থায় জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মৃত যুবকের মা ও বাবা। ঘটনার বিবরণে জানা যায় বিগত বেশ কয়েক বছর আগে প্রতিবেশী প্রসেনজিৎ দাসের সাথে বিয়ে হয় সুমনের বোনের। কিছুদিন তাদের সংসার ভালোভাবে কাটলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। এর মধ্যেই শুরু হয়ে যায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ। অভিযোগ প্রতিনিয়তই স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত প্রসেনজিৎ। আর স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত বাবার বাড়িতেই আশ্রয় নেয় সুমনের বোন। এর মধ্যেই শুক্রবার গভীর রাতে ধারালো অস্ত্র নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে আক্রমণ আনে প্রসেনজিৎ। অগ্নিপতিকে থামাতে গিয়ে ছুরির আঘাতে গুরুত্ব জখম হন সুমন। শুধু তাই নয়, রক্তাক্ত হন সুমনের মা বাবাও। পড়ে তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে আহতদের জিবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। বর্তমানে সুমনের মা বাবা জিবিতেই চিকিৎসাধীন। এদিকে ঘটনার পরেই অভিযুক্ত প্রসেনজিৎ ও তার পরিবার বাড়ি থেকে পলাতক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।



