শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে চলেছে রাজ্যের বর্তমান সরকার।রাজ্যে একটি এডুকেশন হাব তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বৃহস্পতিবার অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ৭৫ তম অমৃত মহোৎসব সমারোহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। দেশের সংস্কৃতি, পরম্পরা ও শিক্ষার প্রদর্শিত পথে এগিয়ে চলতে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ দেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি ।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্থান পায় নতুন শিক্ষানীতির প্রসঙ্গটিও। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় সংস্কৃতি ও পরম্পরার মেলবন্ধন ঘটানোর লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন শিক্ষানীতি প্রচলন করেছেন ।রাজ্যেও বিভিন্ন স্তরে নতুন শিক্ষানীতি অনুসারে পঠন পাঠন শুরু হয়েছে ।১২৫টি বিদ্যালয়ে স্মার্ট ক্লাস চালু করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, এবছর রাজ্যে ডেন্টাল কলেজ এবং কলেজ অফ নার্সিং শুরু হচ্ছে ।ইতিমধ্যেই ফরেনসিক সাইন্স ইউনিভার্সিটি, ল- ইউনিভার্সিটি শুরু হয়ে গেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও রাজ্যে শুরু হয়েছে । আরো দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু হতে চলছে ।মুখ্যমন্ত্রী জানান ,সব মিলিয়ে ত্রিপুরাতে একটি এডুকেশন হাব তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। এই দিশাতেই সরকার কাজ করে চলছে বলে জানান তিনি।এদিন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের রাজ্য শাখাকে সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়ার পাঠও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যুব শক্তিকে সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান ,অধিকার রক্ষায় আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে ।এই ক্ষেত্রে শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তুলুক এবিভিপি ।কিন্তু তা হোক সুশৃংখল পদ্ধতিতে ।এই আন্দোলন যেন তথাকথিত কমিউনিস্ট পার্টির সংগঠনগুলির আন্দোলনের মতো না হয় ।সেই দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য ছাত্র নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, হাড়-ঘর তিরঙ্গার মত এবছর মেরা দেশ মেরা মাটি অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ।বিভিন্ন পঞ্চায়েত থেকে মাটি সংগ্রহ করে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আজাদী কা অমৃত মহোৎসবের মেমোরিয়াল তৈরি করা হবে। যুব সম্প্রদায়কে দেশাত্মবোধে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।



