উত্তর জেলার ধর্মনগর শহরে একটি জুয়েলারির দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানেই বড় ধরনের সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশ। সিসি ক্যামেরার ফুটেজের ভিত্তিতে তদন্তের নেমে পুলিশ আগরতলা থেকে আটক করে চুরির সাথে যুক্ত মূল তিন মহিলা সহ পশ্চিমবঙ্গের আরো দুজন মহিলা ও তিনজন পুরুষ। একই সাথে পুলিশ ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করে চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকারও। ঘটনার বিবরণে জানা যায় শুক্রবার কলকাতা বারাসাত থেকে আগত তিনজন পুরুষ এবং পাঁচজন মহিলা কুমারঘাটে এসে একটি হোটেলে ওঠেন।।সেখান থেকে পাঁচজন মহিলা চলে যায় ধর্মনগরে। ধর্মনগর শহরের একটি স্বর্ণের দোকানে খদ্দের সেজে তিনজন মহিলা বেশ কিছু স্বর্ণ অলংকার দোকান থেকে চুরি করে চম্পট দেয়।। ঘটনার কিছুক্ষণ পর স্বর্ণের দোকান মালিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে বিষয়টি দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ধর্মনগর থানায় খবর দেয়। আর এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণ পাঁচজন মহিলা ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে।। চুরির ঘটনার সংগঠিত করার পর পাঁচ জন মহিলা এবং তিনজন পুরুষ জাতীয় সড়ক হয়ে আগরতলা চলে আসে। রাজধানীর লেইক চৌমুহনী বাজারে একটি হোটেলে উঠেন।। এরই মধ্যে ধর্মনগর থানার ওসি শিবু রঞ্জন দের কাছে সেই খবরটি চলে যায়। ধর্মনগর থানার ওসি শিবুরঞ্জন দের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পশ্চিম থানার পুলিশের সহায়তায় হোটেল থেকে পাঁচজন মহিলা সহ তিনজন পুরুষকে গ্রেফতার করে পশ্চিম থানায় নিয়ে যায়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরির স্বর্ণালংকার। কলকাতা থেকে আগত একজন জানান গাড়ি নিয়ে জাতীয় সড়ক হয়ে কুমারঘাট হয়ে আগরতলা আসার পরিকল্পনা ছিল তাদের।। যদিও পাঁচজন মহিলার চুরির ঘটনাটি তারা জানেন না বলেই সংবাদ মাধ্যমিকে জানান।। শনিবার পাঁচজন মহিলা সহ তিনজন পুরুষকে ধর্মনগর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই ধৃতদের টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালাবে বলে জানা যায়। জুয়েলারির দোকানে প্রকাশ্যে দিবালোকে চুরির ঘটনার কয়েক ঘন্টার ব্যবধানেই বহির রাজ্যের চোর চক্রদের পুলিশ জালে তুলতে সক্ষম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের ভূমিকায় খুশি সচেতন মহল।



