ত্রিপুরা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের দুই গোষ্টির অভ্যন্তরীণ লড়াইকে ঘিরে রাজ্যের ক্রীড়া মহলের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও চলছে এখন জোরদার চর্চা। এসোসিয়েশনের একাংশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক নয় ছয়সহ একাধিক অভিযোগ এনে গত বেশ কিছুদিন ধরে সোচ্চার টিসিএ অনুমোদিত বেশ কয়েকটি ক্লাব। এসোসিয়েশনের দুই গোষ্টি একে অপরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের ভিত্তিতে টানা তিন দিন এসোসিয়েশনের কার্যালয় তালাবন্দি হয়ে পড়ে। অবশেষে গতকাল শুক্রবার সদর মহকুমা শাসকের নির্দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে খোলা হয় এসোসিয়েশনের দরজা। কোটিপতি ক্রীড়া সংস্থার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক বিধায়ক জিতেন্দ্র চৌধুরী। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ত্রিপুরা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের চলমান ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শ্রী চৌধুরী বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঝামেলা নতুন কিছু নয়। শাসক দলের দুই গোষ্টির অভ্যন্তরিন লড়াই দীর্ঘদিনের। যেভাবে তপন লোধকে নিয়োগ করা হয়েছে, আবার যেভাবে সরানোর চেষ্টা চলছে তা কোনভাবেই কাম্য নয়। টি সি এর একটা সংবিধান রয়েছে। বিসিসিআই অনুমোদিত টিসিএ হলো সবচেয়ে ধনী সংগঠন। ত্রিপুরা ক্রিকেট এসোসিয়েশনের যে অর্থভাণ্ডার তা হাতানোর জন্য এই সমস্ত কার্যকলাপ। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হল এতে প্রশাসন যুক্ত হয়ে পড়া। যুক্ত হচ্ছে পুলিশ, এসডিএম, ডিএমও। তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কেন পুলিশ, ডিএম, এসডিএম যাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আইন মাফিক হওয়া দরকার। তবেই মানুষ সাধুবাদ জানাবে। কারোর মদতে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।



