সোনামুড়ার শ্রীমন্তপুর ভারত -বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর। ২০১৬ সালে ভারতের তৎকালীন বাণিজ্য মন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের হাত ধরে তার বর্তমান আধুনিক পরিকাঠামোর উদ্বোধন হয়েছিল। শনিবার তিনি ফের এই বন্দরটি পরিদর্শনে আসেন ভারতের অর্থমন্ত্রী হিসেবে। সকাল প্রায় ৯ টায় হয় তার এই পরিদর্শন। ঘুরে দেখেন নদীতে তৈরী হওয়া অস্থায়ী জে.টি ,যান সীমান্তের জিরো পয়েন্টে। দুদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর তরফে গ্রহণ করেন শুভেচ্ছা উপহার। এরপর শুল্ক দপ্তর ,ল্যান্ড পোর্ট অথরিটির উচ্চ পদস্থ অফিসারদের সঙ্গে মিলিত হন গুরুত্বপূর্ণ সভায়। সভা শেষে স্ব-সহায়ক দলের উৎপাদিত বাশ – বেতের তৈরী সামগ্রীগুলি পরিদর্শন করেন।উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি তার এই সফর সম্পর্কে কিছু না বললেও জি.এস.টি ও শুল্ক দপ্তরের গৌহাটি জোনালের কমিশনার যোগেন্দ্র গার্গ বলেছেন আগের তুলনায় যাত্রী আসাযাওয়া,সামগ্রী আনানেওয়ার ক্ষেত্রে এবং অন্য বিভিন্ন দিক থেকে এই বন্দরটির অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। তাতে সন্তুষ্ট নির্মলা সীতারমন।তার আরো কি কি উন্নয়ন করা যায়,সেই বিষয়ে আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন দেশের অর্থমন্ত্রী। সোনামুড়ার এই চেক পুষ্টিকে কেন্দ্র করে জাহাজ আনার স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল। তৈরী হয়েছিল অস্থায়ী জে.টি। পরীক্ষমূলক ছোট নৌকা বোঝাই মালামাল একবার বাংলাদেশ থেকে এলেও আর দেখা মেলেনি কিছু।এই অবস্থায় স্থায়ী জে.টি নির্মাণ ও গোমতী নদীর গভীরতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেছেন যোগেন্দ্র গার্গ,তবে এই নৌপথে গোমতী নদীতে থাকা বাংলাদেশের দিকের ১৩ টি সেতু যে বড় অন্তরায় তাও ধারা দিয়েছে যোগেন্দ্র গার্গ-এর কথায়।বাইট ২-৩ ভয়েস,প্রায় প্রতিদিনই এই বন্দরটি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাথর সিমেন্ট ,পাইপ ইত্যাদি আমদানি হলেও কোনকিছুর রপ্তানি তেমন ভাবে নেই বললেই চলে।সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের তরফে প্রশ্ন করা হলে বিষয়টি আগামী দিনে উর্ধতন কতৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে বলে জানিয়েছেন জি.এস.টি ও শুল্ক দপ্তরের গৌহাটি জোনালের কমিশনার যোগেন্দ্র গার্গ।বাইট ৩ ফাইনাল ভয়েস,আজ বেশকয়েকদিন বাদে ২ মেট্রিকটন ধূপকাঠি বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে লোকনাথ ভেরাইটিজ ও অন্য একটি সংস্থা।



