রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর পরিচালিত প্রচুর সংখ্যক অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার। আর এই সেন্ট্রার গুলিতে কর্মরত রয়েছেন একজন করে ওয়ার্কার ও হেলপার। দীর্ঘদিন ধরেই এই কর্মীরা নানা অসুবিধার সম্মুখীন। বেতন-ভাতা বৃদ্ধি সহ আরো অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধার দাবিতে প্রতিনিয়ত তারা আন্দোলনে নামলেও, আজ পর্যন্ত তাদের দাবিগুলি পূরণের সদর্থক কোনো ভূমিকা নেই দপ্তরের। তাই আরো একবার দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সোচ্চার হতে দেখা গেল অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। অল ত্রিপুরা অঙ্গনারী ওয়ার্কার ও হেলপার এসোসিয়েশন মঙ্গলবার গুচ্ছ দাবি নিয়ে দারস্ত হলেন সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তার। অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদিকা মঞ্জুলা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা তাদের জ্বলন্ত বেশ কয়েকটি দাবি-দাওয়া এদিন তুলে দিলেন দফতরের উপ অধিকর্তার নিকট। তাদের অভিযোগ রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারগুলিতেও এখন সব ধরনের কাজ হয় অনলাইনে। এর জন্য মোবাইল রিচার্জ সরকারিভাবে দেওয়ার কথা থাকলেও গত প্রায় বেশ কয়েক মাস ধরেই সেই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে না। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরেই বকেয়া রয়েছে ফিডিং বিল। এতে করে চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। অবিলম্বে এই সমস্যাগুলো সমাধানের দাবিতেই এদিনের ডেপুটেশন বলে জানালেন এসোসিয়েশনের সম্পাদিকা শ্রীমতি চক্রবর্তী। একই সাথে এদিন তিনি আরো জানান সরকার দাবিগুলি পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ না করলে আগামীদিন বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।



