রাজ্য সরকার নেশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও, থেমে নেই নেশার রমরমা কারবার। আগরতলা শহর থেকে শুরু করে রাজ্যের সর্বত্রই অলিগলিতে পুলিশ প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে ড্রাগস, হিরোইনের মত বিষাক্ত নেশার বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে নেশা কারবারিরা। আর এই নেশায় আসক্ত হয়ে ধ্বংসের মুখে এখন রাজ্যের যুবসমাজ। রবিবার তা আরো একবার প্রত্যক্ষ করা গেল আগরতলা জিবি হাসপাতাল চত্বরে। বিষাক্ত ড্রাগস কেড়ে নিল আরো এক তরুণ যুবকের প্রাণ। মৃত যুবকের নাম শুভঙ্কর মিত্র। বয়স ২১ বছর। আগরতলা শহরতলী ইন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা মৃত যুবক শুভঙ্কর দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ড্রাগস গ্রহণ করে আসত। এমনটাই অভিযোগ তার পরিবারের লোকজনদের। পরিবারের লোকেরা এই নেশা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে আনার জন্য বহু চেষ্টা করেও ব্যর্থ। এর মধ্যেই শনিবার রাতের কোন এক সময় বাড়িতেই ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। রবিবার সকালে পরিবারের লোকজন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে জিবি হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। এর আগেও ড্রাগসে আসক্ত হয়ে বেশ কয়েকজন যুবকের মৃত্যু হয় রাজ্যে। এবার সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হল শুভংকরের নাম। সিরিঞ্জ এর মাধ্যমে ড্রাগস নিয়ে যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। এভাবে আর কত তরুণ যুবকের প্রাণ কেড়ে নেবে বিষাক্ত নেশা ? সেটাই যেন এখন লাখ টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে দ্রুততার সাথে সমাজের সব অংশের মানুষ ড্রাগস হিরোইনের মত বিষাক্ত নেশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা না করলে আগামী দিন যে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রাজ্যের মাটিতে তৈরি হতে চলেছে, তা যেন আরো একবার জানান দিল তরুণ যুবক শুভঙ্করের মৃত্যু।



