রাজ্য সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের অন্তর্গত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কর্মরত আলপনা দাস নামে এক কর্মীর স্বামী বিমল দাস গত পয়লা জুলাই থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ। সর্বত্র খোঁজ খবর নিয়েও তার কোন সন্ধান না পেয়ে নিরুপায় হয়েই স্বামী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন শ্রীমতি দাস। কিন্তু বিমলের কোন সন্ধান দিতে পারেনি আগরতলা শহরতলী এডি নগর থানার পুলিশ। তাই নিরুপায় হয়েই উদ্বিগ্ন অসহায় আলপনা দেবী দারস্ত হলেন অল ত্রিপুরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী সহায়িকা এসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের। এই অবস্থায় তার আবেদনে সাড়া দিয়ে এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা সহকর্মীর নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান দিতে দারস্ত হয়েছিলেন এডি নগর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জের। সেদিন এক স্মারকলিপি পেশ করে অ্যাসোসিয়েশন ২৪ ঘন্টার সময় সীমাও বেঁধে দেয়। কিন্তু এরপরেও এডি নগর থানার পুলিশ সহকর্মীর নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান দিতে ব্যর্থ। এই অবস্থায় এডি নগর থানার পুলিশের প্রতি আস্থা হারিয়ে আবারো সোচ্চার হল এসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার এসোসিয়েশনের সম্পাদিকা মঞ্জুলা চক্রবর্তীর নেতৃত্বে চারজনের এক প্রতিনিধি দল পুলিশের এসপির সাথে বিষয়টি নিয়ে মিলিত হন। আগরতলায় পুলিশের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে এসপির সাথে দেখা করে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দাবি জানান, সহকর্মীর নিখোঁজ স্বামীর সন্ধান দিতে। এই ডেপুটেশনের পরেও যদি পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আগামীদিন প্রয়োজনে আরো বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ইঙ্গিত দিলেন শ্রীমতি চক্রবর্তী।



