রাজ্যের কৃষক, খেতমজুর থেকে শুরু করে রাবার শ্রমিক পান চাষী সহ সমস্ত অংশে শ্রমজীবী অংশের মানুষ এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। সরকার কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার কথা বললেও বাস্তবে তা হয়নি। কৃষি জমিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল সেচ ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকার ফলে সঠিক সময়ে কৃষক জমিতে ফসল ফলাতে পারছে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা। একই অবস্থা রাবার চাষী থেকে শুরু করে পান চাষীদের অবস্থা। রাবারের ন্যায্য দাম না পাওয়ার ফলে চাষিরা আর্থিক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। সোমবার আগরতলায় সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই অভিযোগ করলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পবিত্র কর। সিপিআইএম পশ্চিম জেলা সম্পাদ ক রতন দাস ও কৃষক সভার অন্যান্য নেতৃত্বদের পাশে রেখে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রীকর আরো অভিযোগ করেন কৃষকদের অসহনীয় এই অবস্থা নিয়ে বহুবার স্থানীয় ও রাজ্যস্তরে প্রতিনিধি মূলক কিংবা গণডেপুটেশন প্রদান করা হলেও কোন সুফল নেই। তাই সংগঠনের রাজ্য পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আগামী দিনের আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। গৃহীত আন্দোলন কর্মসূচি হিসেবে চলতি মাসেই কৃষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে জেলাভিত্তিক গণডেপুটেশন প্রদান করা হবে। পান চাষীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি নিয়ে আগামী তিন জুলাই আগরতলায় অনুষ্ঠিত হবে গন অবস্থান কর্মসূচি। শুধু তাই নয় গণমুক্তি পরিষদ, খেতমজুর ইউনিয়ন ও কৃষক সভার যৌথ উদ্যোগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ও প্রদান করা হবে গণডেপুটেশন। এছাড়া সর্বভারতীয় কর্মসূচি রঙ্গ হিসেবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যেও রাবার চাষীরা রাস্তায় নামবে। এছাড়া গোটা দেশে যেভাবে সংবিধান আক্রান্ত হচ্ছে তার প্রতিবাদ জানিয়ে আগামী ১৫ই আগস্ট মাঝ রাতে সংবিধান রক্ষার শপথ গ্রহণ করা হবে।



