নিজের হাতে থাকা দপ্তর গুলিতে কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে আচমকা অফিস পরিদর্শন অব্যাহত রাখলেন মন্ত্রি সুধাংশু দাস। এবার তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়ে কারণ ছাড়া অনুপস্থিত কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আধিকারিকদের নির্দেশ দিলেন তিনি। আগরতলা গোর্খাবস্তি স্থিত দপ্তরের একজনকে সাসপেনশন ও তিনজনকে এবার শোকজ নোটিশ ধরাতে চলেছেন মন্ত্রী শ্রীদাস। মানুষকে সঠিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে নিজের দপ্তরের অফিসে কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে এধরনের পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলেও জানালেন তিনি।মাঝে কিছুদিন বিরত থাকার পর ফের মহাকরণের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ত্যাগ করে ময়দানে নামলেন তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুধাংশু দাস। মঙ্গলবার এমনটাই দেখা গেল আগরতলা গোর্খাবস্তি স্থিত তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে। এদিন আচমকা তিনি পরিদর্শন করলেন অফিসের কর্মসংস্কৃতি। মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এদিন কোন ধরনের কারণ ছাড়াই অফিসে উপস্থিত ছিলেন চারজন কর্মচারী। সবকিছু খতিয়ে দেখে তিনি তৎক্ষণাৎ দপ্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিলেন কোন প্রকার কারণ ছাড়া অনুপস্থিত থাকা কর্মচারীদের মধ্যে একজনকে সাসপেনশন অর্ডার ধরানোর এবং বাকি তিনজনকে শোকজ করার। এর আগেও নিজের হাতে থাকা অন্য দপ্তর গুলির কাজকর্ম পরিদর্শনে গিয়ে বেশ কয়েকজনকে শোকজ করেছিলেন তিনি। এবার তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের প্রধান কার্যালয়েই মন্ত্রীর রোষানলে পড়লেন চারজন কর্মচারী। এদিনের এই আচমকা অফিস পরিদর্শন প্রসঙ্গে মন্ত্রী শ্রীদাস জানান, মানুষকে সঠিক সরকারি পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।। সেই প্রতিশ্রুতি যে কোন মূল্যেই বাস্তবায়ন করা হবে। মানুষকে সঠিক পরিষেবা দিতে কর্মচারীরা যাতে নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে সেই বার্তা দিতেই আচমকা অফিস পরিদর্শন। নিজের হাতে থাকা দপ্তরের অফিস গুলিতে কর্মসংস্কৃতি যে কোন মূল্যেই ফিরিয়ে আনা হবে বলে অনেকটা দৃঢ় প্রত্যয়ের সুরে জানালেন মন্ত্রী শ্রীদাস।



