তিপ্রামথার কর্মীর বাড়ী আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা। তবে আচ পাওয়ার ফলে আগুনের লেলিহান শিখা বেশী দুর যেতে পারে নি। তবে বাড়ির মালিক সোহাগ মিয়ার অভিযোগ সে একজন তিপ্রা মথার কর্মী। এই গঠনাটি ঘটে সোনামুড়া থানাদিন উরমাই, কলমখেত গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ ওয়ার্ড এলাকায়। সোহাগ মিয়া, পিতা মুছলেম মিয়া, আজ থেকে ৮ মাস আগে তিপ্রা মথার দলে যোগদান করে। যোগদান করার পর থেকে দুষ্কৃতীরা তাকে নানাভাবে হেনস্হার শিকার করার চেষ্টা করে বার বার । সোহাগ মিয়া তিপ্রা মথার দলে যে দিন যোগদান করে,পরের দিন তার খালি ঘর থেকে ছাগল নিয়ে পালিয়ে যায় দুস্ককীতিরা। কিন্ত গতকাল রাতে ১২ টা ২০ মিনিট পর সোহাগ মিয়া প্রাকৃতিক কাজ করতে বের হলে দেখে তার ঘরেরে পেছন দিয়ে আগুন জ্বলছে।ভোট দেওয়ার পর সোহাগ মিয়া তার পরিবার সহ এই ঘর ত্যাগ করে বড় ভাইয়ের ঘরে থাকে। সোহাগ মিয়ার মেয়ে এইঘরে পড়াশোনা করত, কিন্তু আগুনে মেয়েটির বই গুলি পুড়ে যায়। ক্ষয় ক্ষতি তেমন কিছু হয়নি,সঙ্গে সঙ্গে টের পাওয়াতে আগুনের লেলিহান সিকা বেশিদূর যেতে পারেনি পরে চিৎকার চেঁচামেচি শুনি গ্রামবাসীরা ছুটে আসলে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ঘটনা কতটুকু সত্য আদতে কি আগুন লাগানো হয়েছিল, না এর পেছনে অন্য কোন রহস্য রয়েছে সেই বিষয়ে পুলিশ সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। এই ঘটনা এলাকায় চাউর হতে সকল পার্টির নেতৃত্বরা তার বাড়িতে এসে তার ঘর পরিদর্শন করেন এবং তাকে সান্ত্বনা দেন। মুর্দা কথা হল সোহাগ মিয়া যে অভিযোগ করেছেন যে তিনি নাকি রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা দল এই বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তবে সুযোগ বুঝে অনেকে ব্যক্তিগত হিংসাকে রাজনীতিতে রূপ দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সোহাগ মিয়া ও সিপিআইএমের উরমাই অঞ্চল সম্পাদক শাহ আলম মিয়া সাংবাদিকের ক্যামেরার সামনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।



