বনদস্যু দের কারণে রাজ্যের বিস্তীর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলের বনভূমি একপ্রকার ফাঁকা হয়ে গেছে বলা যায়। বিশেষ করে বনভূমির প্রভাব পড়ে প্রকৃতির উপর প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতে বনভূমি বা বন জঙ্গল খুবই প্রয়োজনীয়। কিন্তু বনদস্যুরা নিজেদের ফায়দার জন্য বিভিন্ন বনাঞ্চলকে কেটে এক প্রকার ফাঁকা করে দিয়েছে। আর এই ধরনের ঘটনাটি ঘটে চলেছে বনদপ্তরের নাকের ডগায়। কারণ সেই বনদস্যু দের কাছ থেকে একপ্রকার মাসোহারা পেয়ে থাকেন বনদপ্তরের কর্মীরা বলে মন্তব্য করেন অনেকেই। তাইতো উপযুক্ত প্রমাণ পেয়েও এক কাঠ পাচারকারীর বাড়ি থেকে লোক দেখানোর নামে টাকা পয়সা খেয়ে কিছু কাঠ উদ্ধার করে আনে। অন্যদিকে সেই কাঠ পাচারকারী বনদপ্তর চলে যাবার পরই বাড়ি থেকে বিশাল পরিমাণ কাঠ অন্যত্র পাচার করে দিতে দেখা যায়। তেমনি ঘটনা ঘটে খোয়াই জামবুড়া এলাকায় শুক্রবার সকাল এগারোটা নাগাদ। একটি সূত্রে জানা যায় খোয়াই জাম্বুরা এলাকার নিবাসী দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে প্রচুর অবৈধ কাঠ মজুত রয়েছে বলে বন বিভাগের কাছে খবর আসে। সেই খবর পেয়ে বন বিভাগের রেঞ্জার এবং ফিল্ড রেঞ্জার বিমল নম এবং পীযূষ কান্তি পাল সহ ৮-১০ জনের একটি দল দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে হানা দেয় এবং প্রচুর অবৈধ কাঠের সন্ধান পায়। দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে বণ বিভাগ ওইটা কাঠ উদ্ধারের জন্য আসে সেই খবর জাম্বুরা এলাকার বেশ কয়েকজন উজন দার সিপিএম নেতাদের কানে যেতেই সেই নেতারা দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। অন্যদিকে দিলপ দেবনাথ তো একই দলের লোক হওয়ার কারণে দিলীপ দেবনাথ কে বাঁচানোর জন্য সিপিএম দলের নেতৃত্বরা উঠে পড়ে লেগে যায় এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে এক ধরনের রাফার মাধ্যমে লোক দেখানোর জন্য কিছু কাঠ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। বনবিভাগের লোক দিলীপ দেবনাথের বাড়ি থেকে চলে যাবার পরই দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে মজুদ করা সমস্ত অবৈধ কাঠ গুলি কে একজন লোকের মাধ্যমে সাইকেল দিয়ে অন্যত্র পাচার করতে দেখা যায়, শুধু তাই না ভালো ভালো দামি কাঠ গুলিকে দিলীপ দেবনাথের পুকুর খেলতে দেখেছে এলাকাবাসী এই পুকুরে প্রচুর পরিমাণে অবৈধ কাঠ মজুদ রয়েছে বলে এলাকা সূত্রে জানা যায়। একটি সূত্রে এ-ও জানা যায় দিলীপ দেবনাথের বাড়িতে যে পরিমাণ কাঠ মজুত ছিল তার সিকি ভাগও বনদপ্তর নিয়ে যায়নি। কারণ বনদপ্তরের সাথে দিলীপ দেবনাথ একটি ভালো সমঝোতা হয়েছে বা তাদের সাথে সমঝোতা হয়ে থাকে। সমস্ত কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে বন বিভাগের একটা সমঝোতা রয়েছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেন। আর এসব কারণে বনদপ্তরের লোকেরা সহজে কোন কাঠ ব্যবসায়ের বাড়িতে খানা দেয় না আর যদিও দিয়া থাকে সেটা দিলীপ দেবনাথের বাড়ির মতন ঘটে। যে বিভাগকে রক্ষা করার জন্য বনদপ্তর তৈরি হয়েছে সেই বনদপ্তর এর কর্মীরাই আজ পয়সা থেকো এক কথায় সর্ষের মধ্যেই ভূত।



