আসন্ন ২০২৩ এর রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দুপুরে খোয়াই মহকুমা শাসকের উদ্যোগে নির্বাচনের আচরণ বিধি নিয়ে এক সর্বদলীয় বৈঠক করা হয় মহকুমা শাসকের কনফারেন্স হলে। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২৫ খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের আরো তথা খোয়াই মহকুমা শাসক বিজয় সি্নহা, অতিরিক্ত জেলাশাসক কেশব কর, ২৪ রামচন্দ্র ঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের আরো এন এস চাকমা এবং উপস্থিত ছিলেন 26 আশারামবাড়ী কেন্দ্রের আরো, এবং দুইটি থানার ওসি এবং খোয়াই মহকুমার পুলিশ আধিকারিক সহ বিভিন্ন ব্লক আধিকারিক থেকে শুরু করে অন্যান্য অফিসাররা এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে ২৫ খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের আরো তথা মহাকুমা শাসক বিজয় সিনহা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান ১৮ই জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ২০২৩ সালের রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা দেন যে ১৬ই ফেব্রুয়ারি রাজ্যের নির্বাচনের দিন। সেই অনুসারে একুশে জানুয়ারি থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন হলো ৩০শে জানুয়ারি। এবং মনোনয়নপত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার শেষ দিন ৩১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত। এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন দোসরা ফেব্রুয়ারি। নির্বাচন আচরণবিধি নিয়ে খোয়াই জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র ২৪ রামচন্দ্র ঘাট ২৫ খোয়াই এবং ২৬ আসরামবাড়ী কেন্দ্রের সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধিকে সুষ্ঠুভাবে মেনে নিয়ে কাজ করার জন্য সর্বদলীয় বৈঠক করা হয়। যাতে করে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী জিরো পোল ভালেন্স অর্থাৎ নির্বাচন চলাকালী কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা যাতে না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ রাখেন। এবং বৈঠকে উপস্থিত সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা সেই আচরণ বিধি মেনে চলবেন বলে আশ্বস্ত করান রিটার্নিং অভিসার দেরকে। এছাড়া নির্বাচনী প্রচার ক্ষেত্রে কিছু কিছু বিধি-নিষেধ লাগু করা হয়েছে যেমন চার ফুটের বেশী ফ্ল্যাগ বা ফেস্টুন লাগানো যাবে না। চেইন ফ্ল্যাগ ব্যবহার করা যাবে না, কোন সরকারের প্রতিষ্ঠানে ফ্লেক ফেস্টুন ব্যবহার নিষিদ্ধ, এছাড়া যদি কোন জায়গায় বা মাঠে সভা বা জনসভা করতে হয় তাহলে নির্দিষ্ট ওই জায়গার মালিকের আগাম অনুমতি নিয়ে পুলিশের কাছ থেকে সভা করার অনুমতি নিতে হবে। ওই অনুমতি ছাড়া যদি কেউ পুলিশের অনুমতি পাবে না। এছাড়া রাত দশটা পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি রয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত বারি বারি প্রচার করা যাবে এই সময়ের আগেও হবেনা পরেও হবে না পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি প্রচারের ক্ষেত্রে পাঁচজনের বেশি কেউ যেতে পারবে না এমনকি বাড়ির বাইরেও আর কোন লোক থাকতে পারবে না ।এই ধরনের আরো অনেক নির্বাচনী বিধি নিষেধ নিয়ে আলোচনা করা হয় প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সাথে। তাছাড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থাটাও শক্ত হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ আধিকারিক রাজিব সূত্রধর। কেন্দ্রীয় বাহিনীরা তাদের নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গাতে প্রতিদিন টহল রত রয়েছেন সে বিষয়ে চিন্তা বা ভয়ের কিছু নেই। কোন জায়গায় যদি কোন ভায়োলেন্সের সৃষ্টি হয় তাহলে তৎক্ষণাৎ কেন্দ্রীয় বাহিনী সেই জায়গায় পৌঁছে যাবে বলে জানান পুলিশ আধিকারিক। আর এই সমস্ত বিষয়টাকে নিয়ে প্রচার মাধ্যমের সাহায্য চাইলেন ২৫ বিধানসভা কেন্দ্রের আরো তথা মহাকুমা শাসক বিজয় সিনহা যাতে করে রাজ্যবাসী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মকর্তারা নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন আচরণ গুলি মেনে চলেন এবং সুষ্ঠুভাবে ১৬ই ফেব্রুয়ারি যাতে ভোট দ্বাতারা ভোট দান করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন জনান।



