আজ আগরতলা প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে
কি ছিল না এই ফ্লোরিক বর্ষসেরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে? রাজ্যের একঝাঁক তরুণ তারকা ক্রীড়াবিদের সাথে গোটা অনুষ্ঠানকে আলো জ্বালিয়ে দিয়ে গেলেন ইষ্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের একঝাঁক প্রাক্তন তারকা ফুটবলার। ছিলেন বিদেশী তারকা ফুটবলার সুলে মুসা, ছিলেন ভারতীয় ফুটবলের চার প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবী,আলভিটো ডি কুনহা, সৌমিক দে, দীপঙ্কর দে।
তাদের সাথে ছিলেন রাজ্যের বর্তমান সময়ের দশ সেরা ক্রীড়াবিদ এবং আরো ১২ জন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় অতিথি বরণ দিয়ে। উপস্থিত ছিলেন যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়, আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি প্রনব সরকার, ইষ্ট বেঙ্গল ক্লাবের সচিব রূপক সাহা,আজকের ফরিয়াদের এম ডি শানিত দেবরায়, ত্রিপুরা অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সচিব সুজিত রায় , যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের উপ অধিকর্তা বিপ্লব দত্ত, কলকাতা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি সুভেন রাহা প্রমুখ। এছাড়া ছিলেন রাজ্যের একঝাঁক প্রাক্তন এবং বর্তমান তারকা ক্রীড়াবিদ।
অতিথি এবং দেশের প্রাক্তন তারকা ফুটবলারদের হাত দিয়ে পঞ্চপ্রদীপ প্রজ্বলন দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন আগরতলা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের সচিব সন্তোষ গোপ। এরপর একে একে বক্তব্য রাখেন শানিত দেবরায়, যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায় প্রমুখ। এরমধ্যে চলে পুরস্কার বিতরণ পর্ব।
ফ্লোরিক বর্ষসেরা পুরস্কার হিসাবে একে একে মঞ্চে সংবর্ধিত হন অরিত্র রায় (এভারেস্ট জয়ী) তানিয়া দাস (জুডো) দেবান্তর ভদ্র (যোগাসন) মৌচৈতী দেবনাথ (ক্রিকেট) শ্রীদাম পাল (ক্রিকেট) আরাধ্যা দাস (দাবা) শ্রেয়া দেব( ফুটবল) শ্রীপর্ণা দেবনাথ (জিমন্যাস্টিকস) সিয়াম পুইয়া (ফুটবল)আরশিয়া দাস (দাবা)।
এছাড়া বিশেষভাবে সক্ষম মহিলা ফুটবলার রেশমি ওরাঙ, প্রতিভাবান মহিলা ক্রিকেটার অস্মিতা দাসকে উষ্ণ সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। পুরস্কার হাতে নিয়ে সবার অনুরোধে নিজের সুরেলা কণ্ঠে লতাজির একটি পুরনো গান গেয়ে গোটা অনুষ্ঠান মাতিয়ে দিয়ে যায় অস্মিতা। অনূর্ধ্ব ১৭ এবং অনূর্ধ্ব ১৯ জাতীয় স্কুল যোগাসন প্রতিযোগিতায় ত্রিপুরার মুখ উজ্জ্বলকারী ১২ জন মহিলা যোগাসন খেলোয়াড় ধৃতি দেবনাথ,পরিনীতা রায়, নন্দিতা ভৌমিক, পায়েল দাস, উস্মিতা দেবনাথ, অনিন্দিতা কর্মকার, সুস্মিতা রায়, প্রতিভা সিং,মামন দাস এবং শ্রাবনী দেবনাথকে পুরস্কৃত করা হয়।
সবার হাতে সুদৃশ্য স্মারক, উত্তরীয়,নগদ অর্থ এবং স্পন্সর কোম্পানীর বিশেষ উপহার তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষ হয় মেগা লাকি কুপন ড্র দিয়ে। পাঁচজন বিজয়ীর হাতে মেসার্স লক্ষী ভান্ডারের তরফে দেয়া হয় পুরস্কার।
সম্মানীয় অতিথি ছাড়া ও পুরস্কার বিতরণ করেন অপু রায়, সুর্য কান্ত পাল, অন্নপূর্ণা দাস, আগরতলা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি শান্তনু বনিক, সচিব সন্তোষ গোপ, যুগ্ম সম্পাদক উমাশংকর ভট্টাচার্য ও মিনাক্ষী ঘোষ, সদস্য কান্তি বর্ধন, সুমন আচার্য, স্বপন মিয়া প্রমুখ।
গোটা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিনাক্ষী ঘোষ। সহযোগিতা করেন ক্লাবের সহ সভাপতি সুভাষ ঘোষ সদস্য অলক ঘোষ, অভিষেক সাহা প্রমুখ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে গিয়ে সভাপতি শান্তনু বনিক আগরতলা প্রেস ক্লাব, ইষ্ট বেঙ্গল ক্লাব এবং মোহনবাগানের একঝাঁক প্রাক্তন ফুটবলার, কলকাতা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাব, স্পন্সর ফ্লোরিক হোটেল কলকাতা এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি যারা বিভিন্ন ভাবে এই অনুষ্ঠান সফল করে তোলার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।