গ্রীষ্মকালের রসালো এবং সুস্বাদু ফল লিচু। ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের লিচুর সাথে পাল্লা দিতে পারে তেলিয়ামুড়া মহকুমার লিচু। স্বাদে অতুলনীয় বরাবরের মতই মুংগিয়াকামি ব্লকের অধীন গকুলনগর এডিসি ভিলেজের অন্তর্ভুক্ত কুঞ্জমুড়া লিচু বাগানের লিচু। প্রতি বছরই এই সময় মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই লিচু বাগানের লিচু খাওয়ার জন্য মানুষ আসেন। বন দপ্তরের অধিন এই বাগান হলেও প্রত্যেক বছর বাগানের লিচু টেন্ডারের মাধ্যমে এলাকার জনজাতি অংশের মানুষকে দেওয়া হয় যাতে করে তারা এই লিচু বাজারে বিক্রি করে কিছু অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হয়। এবং এতে লাভের মুখ ও দেখতে পায় তারা। কিন্তু এবছর ফলন মুটামুটি ভাল হলেও বাজারে বিক্রি করে তেমন ভাল উপার্জনে সক্ষম হতে পারছেনা। এমনটাই জানাল জনজাতি লিচু বিক্রেতারা। তাদের সংগে কথা বলে জানাযায় ক্রয়ের দামের থেকে অতি সামান্য লাভ মাত্র করতে পারছে। কাজেই এবছরে লিচু বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে আর সক্ষম হতে পারেনি। কারন গাছের ফলন-পরিমানে ভাল হলেও গুনগত দিক দিয়ে যেমন আকারের হওয়ার কথা তেমনটা এবছর হয়নি ফলে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে বিক্রেতারা। এমনটাই জানান তারা। এর পর যদি ঋতুর ফসল বিক্রি করে দু-চার পয়সা কামাই না হয় তবে সংসারের প্রতিপালন করতে ও বেগ পেতে হয়।



