Thursday, January 22, 2026
বাড়িখবরখেলাতেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত অনূর্ধ্ব ১৭ মহাকুমা স্কুল ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টেকে কলঙ্কিত...

তেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত অনূর্ধ্ব ১৭ মহাকুমা স্কুল ভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টেকে কলঙ্কিত করছেন ইচারবিল দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক

খবরে প্রকাশ, পড়াশুনার পাশাপাশি সুস্থ্য বিকাশের জন্য খেলাধূলার গুরুত্ব অপরিসীম। রাজ্য সরকার থেকে দেশের সরকার ছাত্র ছাত্রীদের সঠিক মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে খেলো ইন্ডয়ার মতো একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সম্প্রতি তেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন মহকুমা ভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৭ স্কুল ক্রিকেটের আয়োজন করে। এতে মহকুমার প্রায় সবকটি স্কুলই অংশগ্রহণ করে। কিন্তু এই টুর্নামেন্ট’কে সামনে রেখে যে তথ্য উঠে আসছে তাতে হতবাক গোটা মহকুমার ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক মহল ও তেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। জানা যায়, টুর্নামেন্টে অংশ গ্রহনকারী ছাত্র ছাত্রীদের খেলার মাঠে আসা যাওয়া এবং তাদের টিফিনের জন্য অর্থ বরাদ্দ করে তেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। প্রতিদিন খেলায় অংশ গ্রহনকারী স্কুলের খেলোয়াড়দের টিফিন ও মাঠে যাতায়াতের জন্য ৯০০ টাকা করে প্রদান করছে আয়োজক সংস্থা আর এই টাকা কাঁচা চিবিয়ে খাচ্ছেন তেলিয়ামুড়া ইচারবিল দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ের তিন গুনধর শিক্ষক যথাক্রমে তারা হলেন আশুতোষ দাস ও সঞ্জিত সরকার ও জয় বাহাদুর রুপিনী। গত ১৩ ই এপ্রিল খেলা ছিল ইচারবিল দ্বাদশ বনাম কবি নজরুল বিদ্যাভবনের মধ্যে। এদিন খেলার মাঠে যাতায়াতের জন্য কোন ব্যাবস্থা তো দূরের কথা ইচারবিল দ্বাদশের খেলোয়াড় ছাত্রদের সঠিক ভাবে টিফিন পর্যন্ত প্রদান করেনি তিন শিক্ষক আশুতোষ,সঞ্জিত ও জয় বাহাদুর রুপিনি। এই বিষয়ে অবগত হতে পেরে তেলিয়ামুড়া ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্কুলের সাথে কথা বললে সেখানেও হেডমাস্টারি করে এই তিন শিক্ষক। নির্ভরযোগ্য সূত্র মারফত খবর, গুণধর শিক্ষক সঞ্জিত সরকার ও আশুতোষ দাসের দাদাগিরিতে অতিষ্ঠ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকা সহ ছাত্রছাত্রীরা। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে খেলোয়ার ছাত্ররা গেলে তাদের শাসিয়ে ধমক চমক দিয়ে একেবারে স্তব্দ করতে উদ্ধত হয়ে করেন শিক্ষক আশুতোষ দাস বলে অভিযোগ। রবিবার ফের খেলাছিল ইচারবিল দ্বাদশ বনাম তেলিয়ামুড়া সরকারী ইংরেজী মাধ্যম দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয়ের মধ্যে। এদিন খেলোয়াড়দের খেলার কিট সহ ব্যাট হেলমেট ইত্যাদি সামগ্রি নিয়ে মাঠে পৌঁছতে দেয়নি এই তিন গুনধর শিক্ষক। তবে খেলোয়াড়রা নিজেরাই বাই সাইকেলে চেপে মাঠে উপস্থিত হয়। পরে এবিষয়ে জানতে পেরে আয়োজক সংস্থা স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে ডেমেজ কন্ট্রোলে মাঠে আসেন মাতব্বর শিক্ষক আশুতোষ বাবু, মাঠে এসে ছাত্রদের টুর্নামেন্ট থেকে নাম তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে বলেও অভিযোগ।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

three × four =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য