বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১০ই ফেব্রুয়ারি…..এই প্রথম মঙ্গলবার সকালে খোয়াই পুর পরিষদের উদ্যোগে শ্রীনাথ বিদ্যানিকেতনের মাঠে বেলা ১১ টায় পুর পরিষদের ১৫ টি ওয়ার্ডের মহিলাদের নিয়ে এক প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। এই খেলাধুলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা, পুর পরিষদের ভাইস এক্সভিডি অফিসার অরুণ দেবনাথ, পুর পরিষদের স্পোর্টস এন্ড কালচারাল এর স্টেন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পীযূষ কান্তি দাস চৌধুরী, সমাজ সেবি বিনয় দেববর্মা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গণ। উক্ত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক তথ্য পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নিবাশ সাহা পতাকা উত্তোলন এবং জল সিন্চনের মধ্যেমে অনুষ্ঠানের সুচনা করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমস্ত অতিথিরা বলেন খেলাধুলা সবার জীবনের জন্য একটি অপরিহার্য একটি অংশ।প্রতিটি মানুষ খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শরীরের শারীরিক ক্ষমতাকে বিকশিত করতে পারেন। তাতে মন মানসিকতা ও ভাল থাকে। তাছাড়া প্রত্যেকটি মহিলা সারাদিন বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যাস্ত থাকে । তাদের এই নিত্য কর্ম থেকে একটু রেহাই দিতে এবং কিছু উৎসাহ জনক কাজের পাশাপাশি কিছু সময়ের জন্য তাদেরকে আনন্দ দিতে পুর পরিষদের পক্ষ থেকে এই প্রথম এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। তাতে দেখা গেছে খোয়াই পুর পরিষদের অন্তর্গত ১৫টি ওয়ার্ডের প্রচুর মহিলারা এই খেলায় অংশগ্রহণ করে।এরপর প্রথমার্ধের অনুষ্ঠানের পর পরবর্তীতে বিভিন্ন ইভেন্টের প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা অনুষ্ঠিত হয়।এই খেলার মাঠে ছয় বছরের এক শিশু কন্যা সবাইকে তাক লাগিয়ে ব্যাপক করতালি অর্জন করে। বিষয়টি ছিল এই খেলার মাঠে যারা খেলাগুলো পরিচালনা করছিল তাদের মধ্যে একজন শারীরিক শিক্ষাক অজয় ভট্টাচার্য সেই শিশু কন্যাটিকে নিয়ে আসেন এই খেলার মাঠে।তার নাম ঝৃশিতা শীল বয়স ৬ পিতা প্রবীণ চন্দ্র শীল বাড়ি খোয়াই গানকি কলোনি এলাকায় এবং ঐ স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। সে খেলার মাঠে সবার সামনে বেশ কয়েকটি যোগা আশন করে দেখিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।বিনা প্রশিক্ষণে এই ছোট্ট একটি মেয়ের যোগা আশন দেখে সবাই মুগ্ধ। এরজন্য প্রচুর করতালি অর্জন করে সেই ছোট্ট মেয়ে ঝৃষিতা।এও জানাযায় সে নাকি তার বাবার কাছে এই যোগ ব্যায়াম এর শিক্ষা নিয়েছেন। সে কোন জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নেয়নি।তার থেকেই বুঝাযায় যে টেলেন্ট কোথায় আছে কেউ জানেনা। দরকার শুধু তাদেরকে খুঁজে বের করা এবং সঠিক তালিম দেওয়া। তাহলেই এক দিন এই ধরনের খুদে শিশুরা একদিন দেশের ভবিষ্যৎ হয়ে দেশের জন্য সুনাম অর্জন করবে যা হলফ করে বলা যায়।এরপর অনুষ্ঠানের অতিথিরা খেলায় অংশগ্রহণ কারী বিজয়ী দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।



