বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৩১শে জানুয়ারি…. উদ্বোধন হয়ে গেল ২০ তম খোয়াই এর ঐতিহ্যবাহী জারি সরি ও মিলন মেলার। । ২০ তম খোয়াই জেলা ভিত্তিক তিন দিন ব্যাপী জারি সারি উৎসব ও মিলন মেলার শুভ উদ্বোধন হলো শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এই দিনের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য ওয়াকঅফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মফস্বর আলী, কল্যাণপুর এলাকার বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী,খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা। খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহ রায়। পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপারসন টিংকু ভট্টাচার্য। বিশিষ্ট সমাজসেবী সমীর কুমার দাস সহ এক ঝাক বিশিষ্ট জনেরা। প্রদীপ প্রজননের মাধ্যমে খোয়াইয়ের ঐতিহ্যবাহী জারি সারী ও মিলনমেলার শুভ উদ্বোধন করলেন উপস্থিত অতিথিরা। প্রথমেই স্থানীয় এলাকার খোয়াই পুর পরিষদের কাউন্সিলর ব্যবস্থাপনা কমিটির কনভেনার ঊষা রানী সিনহা স্বাগত ভাষণ প্রদান করেন এর পরবর্তীতে একে একে অন্যান্য অতিথিরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সর্বশেষে খোয়াই এর ঐতিহ্যবাহী জারি সারী মেলার উদ্বোধক প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের ওয়াকঅফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মফস্বর আলী বলেন আসলে রাজ্যের মধ্যে সংস্কৃতি শহরের তকমা খোয়াই শহরকে সবসময় দিয়ে যেতে হবে। এইরকম মেলা অর্থাৎ জারি সারি মিলন মেলা রাজ্যের আর কোথাও অনুষ্ঠিত হয় না। এই মেলাটা হিন্দু মুসলিম মানুষের মিলন মেলাতে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও তিনি বলেন এই মেলাতে হিন্দু মুসলিম এছাড়া অন্যান্য জাতি গোষ্ঠীর সৃষ্টির সংস্কৃতির নিদর্শন এই মেলার মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ হয় আসলেই সংস্কৃতি শহরের তকমা পাওয়ার একমাত্র অধিকারী খোয়াই। ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং সরকারি দপ্তর গুলি আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন মেলা কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলার কিন্তু মানুষের উপস্থিতি বর্তমানে এই মেলা কে কেন্দ্র করে সেই রকম লক্ষ্য করা যায়নি । একটা সময় ছিল যখন এই জারিসারী মেলা কে কেন্দ্র করে খোয়াইয়ের জনগণের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনগণের উপস্থিতিটা অনেকটাই নগণ্য ছিল। সব মিলিয়ে এক কথাই বলতে হয় খোয়াইয়ের সংস্কৃতি ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সংস্কৃতি বান খোয়াই বাসীরা। এখন দেখার বিষয় অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে খোয়াই শহরকে বাঁচিয়ে রাখতে জারী শাড়ি মেলার মতো সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুলি খোয়াই এর সংস্কৃতি বান জনগণ কতদিন ধরে রাখতে পারেন।



