বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১৯শে আগষ্ট……রাস্তা ভাঙ্গার কারণে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত পথ অবরোধে বসল খোয়াই লালটিলার এলাকাবাসিরা। তাদের বক্তব্য অতিরিক্ত পাথর বোঝাই গাড়িগুলি আসা-যাওয়ার ফলে মরণ ফাঁদে তৈরি হয়েছে খোয়াই মহকুমার অন্তর্গত রামচন্দ্র ঘাট থেকে ধলাবিল যাবার পূর্ত দপ্তরের রাস্তাটি। গত তিন মাস আগে এই রাস্তাটি খোয়াই পূর্ত দপ্তরের উদ্যোগে রাস্তাটি করে দেওয়া হয় এলাকাবাসীর স্বার্থে বলে জানান তারা। যার ফলে এলাকাবাসী ব্যাপক খুশি ছিল। কিন্তু জাতীয় সড়কের সিবিটেক দপ্তরের বড় বড় ট্রাকে করে পাথর বোঝাই গাড়িগুলি প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়ার ফলে বর্তমানে রাস্তাটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়ে রয়েছে। রামচন্দ্র ঘাট থেকে ধলাবিল পর্যন্ত রাস্তাটি বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে গেছে ঐ সমস্ত গাড়িগুলির যাতায়াতের কারণে। গত সাত দিন আগে লালটিলা এলাকাবাসী বেশ কিছু গাড়ি কে আটক করে দাঁড় করিয়ে রাখে রাস্তাগুলি ভাঙ্গার কারণে। শেষে ওই পাথর বোঝাই গাড়ি চালকদের আকুতি মিনতির কারণে শেষে ওই এলাকাবাসী গাড়ি গুলি ছেড়ে দেয় একটি শর্তে যে তারা ফেরার পথে রাস্তা টিকেট ঠিকঠাক করে দেবে অর্থাৎ বড় বড় গর্ত গুলোকে বন্ধ করে দেবে পাথর দিয়ে।এর পর যথারীতি তারা গাড়িগুলোকে ছেড়ে দেয়। এরপর দেখা যায় তাদের কোন হেলদোল নেই। পুনরায় পাথর বোঝাই করে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করছে সমস্ত গাড়িগুলি। শেষে বাধ্য হয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই রাস্তা ধরে চলাচলকারী সমস্ত পাথর বোঝাই গাড়িগুলিকে আটকে দেয় এলাকাবাসী। অথচ প্রায় ছয় ঘন্টা রাস্তা বন্ধ থাকার পরও পুলিশ ছাড়া কোন দপ্তরে কোন অধিকারই কে সেখানে দেখা যায়নি রাস্তা অবরোধের বিষয়ে অবরোধ কারীদের সাথে কথা বলতে। অন্যদিকে এলাকাবাসী পূর্ত দপ্তর থেকে জানতে পারে এই রাস্তা দিয়ে চলাফেরার জন্য বিশেষ করে বড় বড় গাড়িগুলি যেসব ট্রাকগুলি পাথর নিয়ে চলাফেরা করে তাদের জন্য এই রাস্তার বহন ক্ষমতা ১০ টন। অথচ এই রাস্তা ধরে চলাচল করছে ৩৫ থেকে ৪০ টন উজন নিয়ে। এমনকি সমস্ত গাড়ির চালানের লেখা দেখে এলাকাবাসী বুঝতে পারে যে সমস্ত গাড়ি গুলি ৩৫ থেকে ৪০ টন পাথর বোঝাই করে এই রাস্তাটি দিয়ে চলাফেরার কারণেই রাস্তাটির এই অবস্থা। অন্যদিকে এলাকাবাসীর প্রশ্ন প্রশাসন এই বিসয়টাকে কিভাবে দেখছে। একের পর এক খোয়ায় মহাকুমার বিভিন্ন রাস্তা গুলি এসব পাথর বোঝাই গাড়ির জন্য নষ্ট হচ্ছে দেখেও প্রশাসনের কোন ভূমিকা নেই। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। অন্যদিকে এলাকাবাসীর দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের এই রাস্তার গর্ত গুলি সারাই করা হবে ততক্ষণ তারা কোন গাড়িকে সেখান থেকে যেতে দেবে না। আর যদি ঠিক করে দিতে হয় তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক করে দিলেই তারা সেই গাড়িগুলিকে ছেড়ে দেবে বলেন পথ অবরোধকারীরা জানায়।