বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১১ই আগষ্ট….ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় কেন্দ্র খোয়াই বিভাগের উদ্যোগে রবিবার সন্ধ্যায় খোয়াই শিক্ষক ভবনে রবীন্দ্র ,নজরুল ও সুকান্তের শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য তথা বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস। সমবেত ককবরক রবীন্দ্র সংগীত এর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু করেন শচীন্দ্র দেববর্মনের পরিচালনায় চাম্পাহাওর অঞ্চল কমিটির শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত আলোচনা রাখেন সংগঠনের বিভাগীয় সম্পাদক অরুণ পাল। আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন রবীন্দ্রনাথ জীবন সায়াহ্নে যে পথ চলার নতুন বাঁক উপলব্ধি করেছিলেন যে পথের বিরাট ব্যাপ্তি সুকঠিন শপথে নজরুলের মধ্যে সোচ্চারিত সেই পথপরিক্রমা একটা সঠিক সিদ্ধান্তের মতো এসে আশ্রয়স্থল খুঁজে নিয়েছে সুকান্তে । স্বাভাবিকভাবে আমাদের মননে স্মৃতিতে বার বার উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং প্রাসঙ্গিক হয়ে ধরা দেয় রবীন্দ্র, নজরুল ও সুকান্ত। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক তথা বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস বলেন ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় কেন্দ্র , খোয়াই বিভাগ বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের জীবনের এই তিন উজ্জ্বল মনীষী নিয়ে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে তা আমাদের এই সময়কে অতিক্রম করার গণচেতনাকে শানিত করবে। এবং আগামী দিনের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সকল মানুষের পদচারণাকে নিশ্চিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীতসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী বিপ্লব দেবনাথ ,নজরুলগীতি পরিবেশন করেন শিল্পী শেলী চক্রবর্তী সুকান্তের গান পরিবেশন করেন পাপিয়া ভট্টাচার্য । সংগীত শিল্পীদের তবলায় যোগ্য সংগত করেন শিল্পী তপজ্যোতি দাস।অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র নজরুল সুকান্তের আবৃত্তি পরিবেশন করেন সুমেধা বনিক ,অনন্যা দাস ও আরুশ বণিক। সমবেত উচ্চারণে রবীন্দ্র নজরুল সুকান্তের কবিতার কোলাজ তুলে ধরেন বাচিক শিল্পী অমিত দাস ,বাবুল দাস ,সুব্রত নাথ, দ্বীপায়ন নাথ শর্মা ও অরুণ পাল। দর্শক হৃদয়ে আলোড়ন তোলেন নৃত্যশিল্পী সায়ণিকা দেব, সৃজা দেব, ও স্পীহা সেন। অনুষ্ঠানে সবশেষে ককবরক নৃত্য উপস্থাপন করেন ত্রিপুরা সংস্কৃতি সমন্বয় কেন্দ্র চাম্পাহাওর অঞ্চল কমিটির শিল্পীরা। অনুষ্ঠানের দর্শক শ্রোতার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।