তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধিঃ—
তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত গামাই বাড়ির জনৈক প্রদীপ মালাকারের ১৮ বছরের কন্যা সুস্মিতা মালাকার ফাঁসিতে আত্মঘাতী ! স্বাভাবিকভাবেই যুবতী এই মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
এদিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে প্রণয় গঠিত বিষয় সামনে আসে। জানা গেছে, সুস্মিতার সাথে একই থানার অন্তর্গত দশমিঘাট এলাকার আরিয়ান ঘোষ নামে এক যুবকের প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল। কিছুদিন ধরে এই সম্পর্কের মধ্যে ঝামেলা চলছিল, এই ঝামেলার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার নাকি আরিয়ান সুস্মিতাকে চাকমাঘাট এলাকায় ডেকে নিয়ে বকাঝকা করে। এরপর বাড়িতে এসে সন্ধ্যার কিছু আগেই ফাঁসিতে ঝুলে পড়ে সুস্মিতা, এমনটাই দাবি সুস্মিতার পরিবারের লোকজনদের।
এদিকে অভিযোগ সুস্মিতা, যার সাথে প্রণয়ের সম্পর্কে ছিল সেই আরিয়ান এলাকায় অনেকটা বখাটে হিসেবে পরিচিত, ইতিপূর্বে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে তোল্লা আদায়ের মতো অভিযোগ রয়েছে আরিয়ানের বিরুদ্ধে।
সুস্মিতার মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার লোকজন সংঘবদ্ধভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে আরিয়ান’কে ধরে এনে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়, ঘটনার তদন্ত দাবি করে।
হাসপাতালের চিকিৎসক দাবি করেছেন, হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। এখানে আরো উল্লেখ করা প্রয়োজন,, সুস্মিতার বাবা টি.এস.আর জওয়ান হিসেবে কর্মরত আছে।
এলাকা জুড়ে দাবি উঠছে এই মৃত্যুর পরিপেক্ষিতে অভিযুক্ত আরিয়ানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হোক।
প্রণয়ের সম্পর্কের পরিপ্রেক্ষিতে এইভাবে অষ্টাদশী যুবতী কন্যার অস্বাভাবিক মৃত্যু গোটা এলাকাতে একদিকে যেমন উত্তেজিত করেছে একই এরকম ভাবে সুস্মিতার মৃত্যুতে এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত কে তেলিয়ামুড়া থানাতে নিয়ে আসে পুলিশ।