Saturday, August 30, 2025
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদখোয়াই বিদ্যুৎ দপ্তরের উদ্যোগে লাগানো স্মার্ট মিটারের বিল দেখে হতবাক গ্রাহকরা ক্ষোভ...

খোয়াই বিদ্যুৎ দপ্তরের উদ্যোগে লাগানো স্মার্ট মিটারের বিল দেখে হতবাক গ্রাহকরা ক্ষোভ ফুঁসছে। একমাসে বিল ৮২ হাজার টাকা!

বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১৪ই জুলাই……. খোয়াই বিদ্যুৎ দপ্তরের লাগানো স্মার্ট মিটারের বিল দেখে ক্ষুব্ধ খোয়াই এর বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। খোয়াইতে দুই গ্রাহকের বাড়িতে বিল আসলো ৮২ হাজার ৫০০ এবং ৩১০০০ টাকা! দেখা গেছে খোয়াই বনকর এস বি আই শাখা এলাকার বাসিন্দা প্রমেশ ভট্টাচার্যীর বাড়িতে এক মাস আগে বিদ্যুৎ দপ্তরের লাগানো স্মার্ট মিটারে গ্রাহকের বিল আসে ৩১ হাজার টাকার উপর।আর এই বিল দেখে হতবাক বাড়ির মালিক অবসর প্রাপ্ত কর্মচারী প্রমেশ ভট্টাচার্য।আর এই স্মার্ট মিটার লাগানো নিয়ে আপত্তি রয়েছে সর্বত্রে। যদিও আগে থেকেই সাধারণ গ্রাহকরা আশঙ্কায় ছিল এরকম কিছু হতে পারে।আর সেটাই এখন সত্যি হচ্ছে। স্মার্ট মিটার এরকম স্মার্ট বিল প্রদান করাতে গ্রাহকদের প্রান ওষ্টা গত অবস্থা। একই ভাবে খোয়াই লাল ছাড়া এলাকার প্রাক্তন শিক্ষক অশোক দাসের বাড়িতে বিল আসলো প্রায় ৮৩ হাজার টাকা যা দেখে তিনিও হতবাক! অন্যদিকে খোয়াই বনকর এলাকায় নিয়তি প্রেসের অপর দিকের গলির বাসিন্দা নান্টু দাসের বাড়তেও একই ভাবে বিদ্যুৎ বিল আসে ৬১ হাজার টাকা। বিদ্যুৎ দপ্তরের এই রকম লোক ঠকানো বিলের ধরন দেখে অনতিবিলম্বে স্মার্ট মিটার সরানোর দাবি জানিয়েছেন খোয়াই এর বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। স্মার্ট মিটারের এই ধরনের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের। এমনিতেই খোয়াই এর বিদ্যুৎ দপ্তরের সিনিয়র ম্যানেজারকে টেলিফোনে বা সরজমিনে পাওয়া যায় না বলে খোয়াইয়ের বিদ্যুৎ ভোক্তাদের অভিযোগ রয়েছে বিস্তার। বিদ্যুৎ দপ্তরের সিনিয়র ম্যানেজার দিবাকর নাথ খোয়াই এর বিদ্যুৎ দপ্তরের অন্তর্গত বিদ্যুৎ ভোক্তাদের বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে পারছে না এরকমটাই অভিযোগ গ্রাহকদের। এমনকি প্রায় সময়ই ফোনে অথবা সরজমিনে উনাকে দেখা পাওয়া কষ্টসাধ্য। কোনভাবেই ওনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন করলে ফোন ধরছেন না তিনি। তিনি যে কোথায় কেউ জানেন না। তাতে করে সাধারণ মানুষ এখন পড়েছেন মহা সমস্যায়। তাছাড়া বিদ্যুৎ দপ্তরের এই ধরনের তুঘলকি সিদ্ধান্তে দিশেহারা খোয়াই এর বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। ক্ষোবে ফুঁসছে বিদ্যুৎ দপ্তরের গ্রাহকরা। এরমধ্যে স্মার্ট মিটার নামে রাজ্যের কোষাগারকে ভরতে সাধারণ গ্রাহকদের পকেট কাটার যে ষড়যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে তাতে সাধারণ গ্রাহকরা দিশাহারা গোটা বিষয়টি নিয়ে। যে সমস্ত বিদ্যুৎ ভোক্তাদের বাড়িতে স্মার্ট মিটার লাগানো হয়েছে তারা অনেকটাই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় দিন যাপন করছেন। এরমধ্যে খোয়াই এর সাধারণ তিন গ্রাহকের নামে স্মার্ট মিটারের মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ বিল এসেছে সেটা অনেকটাই হাস্যকর বলে মনে করছেন খোয়াই এর বুদ্ধিজীবী মহল। কারণ প্রাক্তন শিক্ষক তথা লালছড়ার বাসিন্দা অশোক দাস বরাবরই প্রতি মাসে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা প্রতি মাসে বিল আসত।সেই জায়গায় এই মাসে স্মার্ট বিলের কল্যাণে ৮২ হাজার টাকা বিল এসেছে। খোয়াই এর সাধারণ গ্রাহকরা আতঙ্কগ্রস্থ গোটা বিদ্যুৎ দপ্তরের এই পকেট কাটার যন্ত্র স্মার্ট মিটার নিয়ে। এখন দেখার বিষয় বিদ্যুৎ দপ্তর এই গোটা বিষয়টিকে নিয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আগামী দিনে। তাতে করে আগামী দিন গ্রাহকদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যেতে পারে এই ধরনের বিদ্যুৎ বিলের কারনে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

2 × three =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য