খোয়াই প্রতিনিধি ৩রা আগস্ট……বৃহস্পতিবার সমাপ্ত হলো সাত দিনব্যাপী ৭৫ সীমান্ত গ্রাম ক্রান্তি বীরো কে নাম অনুষ্ঠান ।এই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে এক সাংস্কৃতিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল গত ২৭শে জুলাই থেকে। খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে শরৎচন্দ্র দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সিঙ্গি ছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ছন্দনীর কমিউনিটি হলে।আর বৃহস্পতিবার দিনটি ছিল ঐ কর্মশালার সমাপ্তি অনুষ্ঠানউক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার শরৎচন্দ্র দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রঞ্জিত দাস,তথ্য আধিকারিক বিশ্বজিৎ বণিক,খোয়াই ব্লক আধিকারিক অভিজিৎ দাস,সহ আরো অনেকে।৭৫ সীমান্ত গ্রাম ক্রান্তি বীরো কে নামএই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে শরৎচন্দ্র দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালযের ৮৫ জন ছাত্র ছাত্রীদের কে নিয়ে ৭ দিনের এক সাংস্কৃতিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল এই কর্মশালাতে ছাত্র ছাত্রীদেরকে নাচ ,গান,আবৃতি,নাটক,চিত্রাঙ্কনবিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হযেছিল ৯ জন প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে।বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠান সমাপ্তির দিন সমস্ত ছাত্র ছাত্রীরা প্রশিক্ষক দ্বারা বিভিন্ন সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুলি প্রশিক্ষণ নিয়ে স্কুলের ছাত্র অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক সহ এলাকাবাসীর সামনে তারা প্রদর্শন করেন নাচ গান আবৃত্তি চিত্রাংকন ইত্যাদি ।সমাপ্তি অনুষ্ঠানের দিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খোয়াই জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার বলেন ৭৫ সীমান্ত গ্রাম ক্রান্তি বীরো কে নাম এই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে সারা ভারতবর্ষে এই অনুষ্ঠান চলছে এরই অঙ্গ হিসেবে ত্রিপুরা রাজ্যের ৭৫ টি সীমান্ত গ্রামকে চিহ্নিত করে এই ধরনের অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে এর মধ্যে খোয়াই মহাকুমাতে দুটি সীমান্ত গ্রাম রয়েছে একটি গৌরনগর অন্যটি খোয়াই শহর লাগুয়া পশ্চিম সিঙ্গিছড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাটি ।এই অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে রাজ্য সরকার রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত গ্রামগুলিতে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি কে সেখানে কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ওই সকল গ্রামীন এলাকার জনগণের স্বার্থে।শুধু তাই নয়, ওসব গ্রামের লোকদের জন্য যারা বিভিন্ন কাজের শহরে আসতে পারে না তার জন্য সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক প্রশাসনিক ক্যাম্পের মাধ্যমে এস টি ,এস সি,ও বি সি,এবং মেরিজ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে ।দেওয়া হচ্ছে. নাগরিকের প্রমাণপত্র সহ বিভিন্ন ধরনের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত দরকারি কাগজ পত্র যাতে করে ওদুর ভবিষ্যতে সেই কাগজপত্র দিয়ে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারে,এছাড়া এলাকায় কৃষকদের জন্য বিভিন্ন কৃষি সামগ্রী বিভিন্ন বীজ প্রদান করা,এলাকার বেকার যুবক যুবতীদের জন্য বিভিন্ন মার্কেট স্টল তৈরি করা সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সরকার করে চলেছে যাতে করে ওই সমস্ত সীমান্ত গ্রামের জনগণ সুবিধা পেতে পারে।আর ওসব অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসেবে ছন্দনীর কমিউনিটি হলে শরৎচন্দ্র দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী দের নিয়ে এক সাংস্কৃতিক কর্মশালার আয়োজন করা হয় সেখানে তারা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মগুলি প্রশিক্ষণ নিয়ে এই মঞ্চে উপস্থাপন করেছে যা ছিল খুবই সুন্দর।এইদিন অনুষ্ঠান শেষ অনুষ্ঠান মঞ্চের অতিথিরা ঐ সব ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দেন।



