খোয়াই প্রতিনিধি ৩১ শে জুলাই…..বর্তমান সময়ে খোয়াই জেলা হাসপাতালটি আতঙ্কের কারখানা হয়ে দাঁড়িয়েছে রোগীদের কাছে। খোয়াই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিজেদের মর্জি মাফিক চিকিৎসা পরিষেবা দিতে গিয়ে যা খুশি ব্যবহার করছে রোগীদের সাথে আর তাতে করে খোয়াই জেলা হাসপাতালটি বর্তমান সময়ে লোকো মুখে চর্চিত হয়ে রয়েছে আতঙ্কের ঘর হিসাবে।আর তাতে করে একের পর এক খোয়াই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উঠছে প্রতিনিয়ত। কিছুদিন পূর্বে মৃত রোগীকে অক্সিজেন লাগিয়ে জিবি হাসপাতালে পাঠানোর ঘটনার পর এবার বাইকের ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে হাসপাতালের এক চিকিৎসক হাসপাতালের রেজিস্টার খাতায় এন্ট্রি করলেন মারপিটের ঘটনা বলে। যদিও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশিত হয় মৃত যুবক বাইকের ধাক্কায় মারা গেছেন।ঘটনার বিবরনে জানা যায় শনিবার রাত ৮ ঘটিকায় চাম্পাহাওর থানাধীন বন বাজার এলাকায় সমীরন হরি নামে এক যুবক বেপরোয়া গতিতে বাইক চালিয়ে এসে ধাক্কা দেয় প্রবেশ সাঁওতাল নামে এক যুবককে। এই দুর্ঘটনার পর প্রবেশ সাঁওতাল এর বড় ভাই শ্রাবণ সাঁওতাল রাত প্রায় এগারোটা নাগাদ খোয়াই জেলা হাসপাতালে তার ভাইকে নিয়ে আসে। ওই সময় কর্মরত চিকিৎসক ছিলেন জন দেববর্মা। ওই রাতেই প্রবেশ সাওতালের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়াতে তাকে জিবিতে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হলে আর্থিক দুরবস্থার কারণে শ্রাবণ তার ভাইকে জিবিতে নিয়ে যেতে পারেনি। সোমবার সকাল ১১ঃ৩০ মিনিট নাগাদ খোয়াই জেলা হাসপাতালে প্রবেশ সাঁওতালের মৃত্যু হয়। সকাল ১১:৩০ মিনিটে সাঁওতাল মারা গেলেও তার মৃতদেহ পুরুষ বিভাগে ফেলে রাখা হয় দীর্ঘ ছয় ঘন্টা উপর। পরে পুলিশ এসে মৃতদেহ পুরুষ বিভাগ থেকে বের করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায় হাসপাতালের শব ঘরে।এদিকে বাইক দুর্ঘটনায় প্রবেশ সাঁওতালের মৃত্যু হলেও চিকিৎসক জন দেববর্মা হাসপাতালের রেজিস্টার খাতায় এই ঘটনাটি লিপিবদ্ধ করেন সাধারণ মারপিটের ঘটনা বলে। মৃত প্রবেশ সাঁওতালের বড় ভাই শ্রাবণ সাঁওতাল বারবার ওই চিকিৎসককে বাইক দুর্ঘটনায় তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও চিকিৎসক জন দেববর্মা শ্রাবণকে হুমকি দিয়ে ঘটনা মারপিটের বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা করেন। আর এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে মৃতের আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে।শুধু তাই না খোয়াই জেলা হাসপাতালের সিংহভাগ চিকিৎসক রয়েছেন উপজাতি সম্প্রদায়ের আর তারা তাদের মর্জি মাফিক চিকিৎসা পরিষেবা দিচ্ছি আর তাতে করে হয়রানির শিকার হচ্ছে হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা রোগী এবং রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা বলে অভিযোগ করেন অনেকেই।এসব বিষয় দেখে ও খোয়াই জেলা হাসপাতালের এম এস রাজেশ দেববর্মা,সি এম ও নির্মল সরকার কোন ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে না. কারণ সবাই রসুনের মতন।তবে এখানে একটি কথা না বললেই নয় খোয়াই জেলার জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে কাজ করছেন দিলীপ কুমার চাকমা মহাশয় ওনার কাজের ফাঁকে মাঝে মধ্যে জেলা হাসপাতালটি পরিদর্শন করলেও সঠিকভাবে হাসপাতালের কর্মকাণ্ড চিকিৎসা পরিষেবা বা অন্যান্য কুকীর্তি গুলি উনার সামনে প্রকাশ করতে বা ঘটতে দেওয়া হয় না যার ফলে বর্তমান সময়ে খোয়াই জেলা হাসপাতালেব বর্তমান সময়ের চিকিৎসা পরিষেবা যে একেবারে তলাতে গিয়ে ঠেকেছে সেই বিষয়ে জেলাশাসক একেবারেই অন্ধকারে রয়েছে। উনাকে জানতে দেওয়া হচ্ছে না যার ফলে খোয়াই জেলা হাসপাতালে বর্তমান সময় চলছে চিকিৎসকদের রাজত্ব বলে অভিযোগ করছেন খোয়াই বাসি।অন্যদিকে খোয়াই বাসীদের আবেদন খোয়াই জেলা হাসপাতালের বিষয়ে এবং চিকিৎসা পরিষেবার মান যাতে উন্নত হয় সেই বিষয়ে জেলাশাসক হিসেবে উনার হস্তক্ষেপ করা খুবই জরুরী বলে মনে করছেন।এর পাশাপাশি হাসপাতালে বিভিন্ন কুকর্ম,চিকিৎসার গাফলিতি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলিকে অন্তর তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আবেদন করছেন জেলাশাস দিলীপ কুমার চাকমা মহাশয়ের কাছে।



