রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু দপ্তরের উদ্যোগে ২০১৯ সালে ডি এল এড কোর্স করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বেসরকারি খড়গপুর ট্রাইবেল B.ED ট্রেনিং কলেজে রাজ্য থেকে প্রায় ৭৮ জন ছাত্রছাত্রী যায়। জানা যায় এই ছাত্র ছাত্রীরা তাদের ডি এল এড কোর্স যথারীতি শেষও করে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কলেজ থেকে তাদের অনেককেই কোর্স শেষ করার পরও সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট দেওয়া হচ্ছে না। এই বিষয়ে মঙ্গলবার ছাত্র ছাত্রীরা আগরতলায় সংখ্যালঘু দপ্তরের অধিকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরে। ছাত্র ছাত্রীরা জানায় তারা এর আগেও দফতরকে এই বিষয়ে অবগত করেছে কিন্তু এখনো তারা তাদের সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট পাচ্ছে না। এই বিষয়ে ছাত্র ছাত্রীদের পক্ষ থেকে কলেজ কর্তিপক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়। কলেজ কর্তিপক্ষের পক্ষ থেকে সে সকল ছাত্র ছাত্রীদের জানানো হয় যে রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু দপ্তরের তরফ থেকে তাদের বকেয়া টাকা এখনো পাঠানো হয় নি। তাই তারা তা দিতে পারবে না। ছাত্র ছাত্রীদের বক্তব্য দফতর থেকে তাদেরকে সেখানে এই কোর্স করার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখন তারা পাশ করেও সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট পাচ্ছে না। যেখানে বি এড করার জন্য যাদের এখান থেকে পাঠানো হয়েছিল তারা পেয়ে গেছে। অনেকে আবার চাকরীও করছে। বিষয়টি অবশ্যই দফতরকে দেখতে হবে। আর এ গুলি না পেলে টেট পাশ করেও তারা তা দেখাতে পারবে না। এর উপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাদের এখানে সব সময় আসা যাওয়া করা খুবই অসুবিধা হয়। এই অবস্থায় তাদের বক্তব্য দফতর যেন সেই টাকা কলেজ কর্তিপক্ষকে দিয়ে দেয় যাতে তারা সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট পেয়ে যায়।এদিকে এই বিষয়ে দফতরের যুগ্ম অধিকর্তা মহঃ হাবিজ উদ্দিন জানান তিনি তাদের সমস্যার কথা শুনেছেন। কলেজ কর্তিপক্ষের সাথে এ বিষয়ে তাদের কথা ও হয়েছে। কলেজ কর্তিপক্ষ তাদের জানিয়েছে যে বকেয়া টাকা পরিশোধ না করলে তারা সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট ছাত্র ছাত্রীদের দিতে পারবে না। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি দফতরের অধিকর্তার কাছে বিষয়টি জানান। অধিকর্তা এই বিষয়ে ফাইল অর্থ দফতরের কাছে পাঠাতে বলেছেন। সেখান থেকে মঞ্জুরি আসলেই তা পাঠানো যাবে বলে ছাত্র ছাত্রীদের এ বিষয়ে জানানো হয় এদিন। তবে দফতরের যুগ্ম অধিকর্তা বলেছেন ছাত্র ছাত্রীরা তাদের সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট অবশ্যই পাবে। দফতর এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই তাদের সমস্যা সমাধান করে দেবার আশ্বাসও এদিন তাদের দেওয়া হয়। ছাত্র ছাত্রীরা পাশ করার পরও তাদের এই সার্টিফিকেট এবং মার্কসসিট কলেজ থেকে কত দ্রুত পায় এরই অপেক্ষায় তারা দিন গুনতে শুরু করেছে। পাশাপাশি দফতর এই ক্ষেত্রে কত তাড়াতাড়ি তাদের এই সমস্যা সমাধান করে এদিকেও চেয়ে রয়েছে এই ছাত্র ছাত্রীরা এবং বিভিন্ন মহল। তবে ততদিন পর্যন্ত ফাইলের গেঁড়াকলে আটকে ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ এমনটাই সচেতন মহলের ধারনা।



