সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যেকোনো শূন্য পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পি আর টি সি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেরিতে হলেও রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে অনেকটাই খুশি রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা। পিআরটিসি বাধ্যতামূলক করায় বহির রাজ্যের বেকারদের রাজ্যে সরকারি চাকরির স্বপ্ন নষ্ট হয়ে গেল। তাই এবার বহি রাজ্যের একাংশ যুবক বাঁকা পথে ভুয়া পি আর টি সি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের চেষ্টা করছে। এমন ওই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনে তথ্যসহ প্রমাণ নিয়ে গত বেশ কিছুদিন ধরেই সোচ্চার হয়ে ওঠে কংগ্রেস দলের ছাত্র সংগঠন এন এস ইউ আই। সংগঠনের প্রদেশ সভাপতি সম্রাট রায় ভুয়া পি আর টি সির অভিযোগ এনে পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ যেমন দায়ের করেন, ঠিক তেমনি আবার জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের দৃষ্টিতেও নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু প্রশাসনিকভাবে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেই বিষয়টি নিয়ে। এর মধ্যেই গতদিন বিহারের এক যুবক ভুয়া পি আর টি সি নিয়ে শালবাগান বিএসএফ ক্যাম্পে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ইন্টারভিউ দিতে এসে স্থানীয় বেকার যুবকদের হাতে ধরা পড়ে। ধৃত যুবক স্বীকারোক্তি দেয় লক্ষ টাকার বিনিময়ে উদয়পুর থেকে সংগ্রহ করে এই পি আর টি সি। আর এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই গোটা রাজ্যজুড়ে একদিকে যেমন তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দেয়, ঠিক তেমনি এই ঘটনার মধ্য দিয়ে এন এস ইউ আই নেতা সম্রাট রায়ের আনা অভিযোগের সততা প্রমাণিত হয়। তাই বিষয়টি নিয়ে আবারও সোচ্চার হলো এনএস ইউ আই। ভুয়া পি আর টি সি সার্টিফিকেট ইস্যুতে যারা জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে প্রশাসনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে রবিবার ফের আরো একবার পশ্চিম থানার দ্বারস্থ হয় এন এস ইউ আই। সম্রাট রায়ের নেতৃত্বে এদিন ছাত্রদের এক প্রতিনিধি দল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের সাথে দেখা করে দাবী জানান ভূয়া পিআরটিসি তৈরিতে যারা জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার। পরে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হয়ে ছাত্রনেতা শ্রী রায় জানান, আগামীকাল সোমবারও রয়েছে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ইন্টারভিউ। তাই ভুয়া পিআরটিসি ইস্যুতে এদিনও রাজ্যের বেকাররা শালবাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান চালাবে।



