আগরতলা শহরকে স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে চলছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নানা কর্মসূচি। শহরকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি যানজট মুক্ত করতে তৎপর পৌরনিগম। বিশেষ করে শহর আগরতলায় এখন অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট সমস্যা। অফিস টাইমে এই সমস্যা সবচেয়ে চূড়ান্ত আকার ধারণ করে থাকে। দিন দিন রাস্তার পরিধি কমতে থাকার কারণেই এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আর এর জন্য দায়ী একাংশ নাগরিক। রাস্তার পাশে সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করার ফলেই রাস্তার পরিধি কমে যাওয়ায় যানজট নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন শহর আগরতলায়। তাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিনিয়তই শহরের বিভিন্ন এলাকায় চলছে উচ্ছেদ অভিযান। পৌর নিগমের উদ্যোগে এই অভিযানে একদিকে বেদখল জায়গা পুনরুদ্ধার হলেও অপরদিকে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন একাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তাদেরকে বিকল্প ব্যবস্থা করে না দিয়ে পৌর নিগম আচমকা নেমে পড়ছে উচ্ছেদ অভিযানে। এতে করে স্বাভাবিকভাবে একাংশ মহলে বাড়ছে ক্ষোভ। শুধু তাই নয় এই উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে পৌর নিগমের বিরুদ্ধে রয়েছে দ্বিচারিতার অভিযোগও। তা আরো একবার দেখা গেল শুক্রবার শহরতলী বড়জলা বাজার থেকে দূর্গা চৌমনি এলাকায়। এদিন বুলডোজার চালিয়ে পৌরনিগমের টাস্ক ফোর্স এই এলাকার রাস্তার পাশে থাকা বেশ কয়েকটি দোকান ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সাথে যারা সরকারি জমি দখল করে রেখেছেন তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বেদখল জমি। কড়া পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়েই এদিন সকাল থেকে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান। তবে জোত জমিতেও এদিন অভিযান চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা চললেও তাকে উপেক্ষা করেই কোন ধরনের আগাম নোটিশ ছাড়া সম্পূর্ণভাবে বুলডোজার চালানো হয় বলে অভিযোগ।এদিকে শহরকে যানজট মুক্ত করার লক্ষ্যেই এই অভিযান বলে জানালেন মেয়র দীপক মজুমদার। বুলডোজার চালানো প্রসঙ্গে এদিন মেয়র আরো বলেন সরকারি জমি যারা দখল করে রেখেছেন তাদেরকে আগাম নোটিশ দিয়েই এই অভিযান চালানো হয়।



