খোয়াই প্রতিনিধি ২৩ শে জুন…..জমি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে দেবরের হাতে নির্যাতিত বৌদি ঘটনা শুক্রবার বিকাল। ঘটনার বিবরণ দিয়ে নির্যাতিত মহিলা জানান খোয়াই সুভাষ পার্ক নিবাসী একজন প্রসিদ্ধ কাপড় ব্যবসায়ী কবীন্দ্রচন্দ্র পাল উনাদের দোকানের সামনে নিজেদের কিছু জায়গা ছিল সেই জায়গা কবীন্দ্র চন্দ্র পালের দুই ভাই হাতিয়ে নেবার জন্য চেষ্টা চালান এরপর কোন পথ না দেখে কবীন্দ্র চন্দ্র পাল এ বিষয়ে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে একটি মামলা করেন। কবীন্দ্র চন্দ্র পালের ভাই জ্যোতির্ময় পাল ও বড় ভাই কানাই লাল পালের বিরুদ্ধে। মামলা করার ১৭ বছর পর গত মে মাসের ২ তারিখ হাইকোর্ট সে মামলার রায় কবীন্দ্র চন্দ্র পালের পক্ষে দেন এবং নিজ জায়গাতে বেড়া দিয়ে রাখতে পারবেন বলেও জানান। কিন্তু কবীন্দ্র চন্দ্র পালের ছোট ভাই জ্যোতির্ময় পাল হাইকোর্টের এই রায়কে মানতে নারাজ আর এতে করেই দুই ভাইয়ের মধ্যে চলছে জায়গা নিয়ে বিবাদ কত কিছুদিন ধরে। সেই জায়গার বিরুদ্ধে কবীন্দ্র চন্দ্র পালের ভাই জ্যোতির্ময় পাল হাইকোর্ট রিভিউ পিটিশন করেন রিভিউ পিটিশনেও হাইকোর্ট আগের রায় বহাল রাখেন। আর তাতেই রাগে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় জ্যোতির্ময় পাল শেষে শুক্রবার বিকালে উত্তেজিত অবস্থায় হাইকোর্টের রায়ে দখল শর্তে কবীন্দ্র চন্দ্র পালের নিজ জায়গায় যে বাসের বেড়া লাগিয়েছিল সেই বেড়াগুলি ভেঙ্গে ফেলে জ্যোতির্ময় পাল। তা দেখে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে কবীন্দ্র পালের স্ত্রী জয়শ্রী পাল উনাকে দেখে জ্যোতির্ময় পাল উত্তেজিত হয়ে উনাকে মারতে থাকে তাতে জয়শ্রী পালের পা কেটে যায় এবং পায়ের আঙ্গুল প্রচন্ড ব্যথা পায় শেষে জ্যোতির্ময় পাল শাবল ও দা নিয়ে নোংরা ভাষায় গালাগালি করতে করতে তেরে আসে জয়শ্রী পাল কে মারতে পাশাপাশি উনার স্বামী কবীন্দ্র চন্দ্র পাল কেও শেষে এসব দেখে জয়শ্রী পাল প্রাণ রক্ষার্থে নিজ ঘরে চলে যান এ নিয়ে বাড়ির মধ্যে তাণ্ডব চালাতে শুরু করে জ্যোতির্ময় পাল। এ বিষয়ে থানাতে মামলা করতে গেলে জয়শ্রী পাল কে এই থানা ওই থানা করে ঘোরাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তবে এখানে বোঝা যাচ্ছে থানাতে যাতে মামলা না করতে পারে তার জন্য জ্যোতির্ময় পাল তিনটি থানাকেই উপঢৌকন দিয়েছে বলে সন্দেহ করছেন মামলা করা সত্ত্বেও জয়শ্রী পাল কে মামলার দরখাস্তের প্রতিলিপি দেয়নি মহিলা থানা । থানায় নাকি অফিসার নেই এই বলে তাদেরকে তাড়িয়ে দেয় থানা থেকে। কবীন্দ্র চন্দ্র পাল ওনার স্ত্রী জয় শ্রী পাল উনাদের পরিবারের লোকেরা শুক্রবারের এই ঘটনার কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানান এদিকে কোন থানা তাদেরকে সাহায্য করছেনা।



