তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি :-
তেলিয়ামুড়া’কে করিডোর বানিয়ে বিশেষ করে রেলপথ ব্যাবহার করে গাঁজা পাচারের প্রচেষ্টা অব্যাহত। মাঝে মাঝে পুলিশ এই ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যে গাঁজা পাচারকারীরা সফলতার মুখ দেখছে তা কিন্তু সহজেই অনুমেয়।
রবিবার ভোর আনুমানিক চারটা নাগাদ রীতিমতো ফিল্মি কায়দায় চলন্ত ট্রেনে তেলিয়ামুড়া স্টেশন থেকে ছয় জন বহিঃ রাজ্যের গাঁজা পাচারকারী গাঁজা সহ রেলে উঠে বলে অভিযোগ। রাণী কমলাবতি এক্সপ্রেস তেলিয়ামুড়া রেল স্টেশনে না থামলেও অভিজ্ঞ গাঁজা পাচারকারীরা চলন্ত এই ট্রেনের মধ্যে রীতিমতো ফিল্মি কায়দায় উঠে যায় , কিন্তু বিষয়টা কোনভাবেই দৃষ্টি এড়াইনি আরপিএফ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের। তারপর আরপিএফের জওয়ানেরা চলন্ত ট্রেনের মধ্যেই গাঁজা পাচারকারীদের সনাক্ত করে এবং পরবর্তী সময়ে আগরতলা গিয়ে তাদেরকে আটক করে বলে জানা গেছে। যেহেতু ঘটনাটি তেলিয়ামুড়া রেল স্টেশন চত্বরে সংঘটিত হয়েছে অর্থাৎ গাঁজা পাচারকারীরা যেহেতু তেলিয়ামুড়া রেলস্টেশন থেকেই উঠেছে এই কারণে গোটা ঘটনা আর পিএফ এর তরফ থেকে তেলিয়ামুড়া জিআরপি পুলিশকে জানালে জিআরপি পুলিশ তাদেরকে আগরতলা থেকে নিয়ে আসে এবং তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশকে অবগত করা হলে পুলিশ গাঁজা পাচারকারীদের আটকৃত গাঁজাসহ তেলিয়ামুড়া থানায় রবিবার রাত আনুমানিক ১১টা নাগাদ দিকে নিয়ে আসে বলে জানা গেছে।
জিআরপি পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী ,,, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে আটকৃত গাঁজার বাজার মূল্য আড়াই লক্ষাধিক টাকা হতে পারে বলে অনুমান।
এদিকে প্রশ্ন উঠছে আর পি এফ গোটা বিষয়টা তদারকি করেছে আরপিএফ এর জওয়ানরা যথেষ্ট তীব্রতার সাথে গাঁজা পাচারকারীদের গাঁজা সহ আটক করতে সমর্থ হলেও সংশ্লিষ্ট রেলস্টেশনে জিআরপি পুলিশের যারা দায়িত্বে থাকছেন তাদের ভূমিকা কিন্তু রিতীমতো প্রশ্নচিহ্নের মুখে।
অন্যদিকে, তেলিয়ামুড়া জিআরপি পুলিশের বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, তেলিয়ামুড়া জিআরপি পুলিশের দায়িত্বে থাকা একাংশ জিআরপি পুলিশ কর্মীদের গাঁজা পাচারকারীদের সাথে গোপন বোঝাপড়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তেলিয়ামুড়া রেলস্টেশন দিয়ে পাচারকারীরা গাঁজা পাচারে সাহায্য সহযোগিতা করে চলেছে।



