রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল গুলিতে রয়েছে স্বাস্থ্য কর্মীর স্বল্পতা। এতে করে স্বাভাবিকভাবেই খানিকটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিষেবা। দীর্ঘদিন ধরেই স্থায়ী কোন কর্মী নিয়োগ নেই। চুক্তিবদ্ধ নিয়োগের মধ্য দিয়েই চলছে যেন হাসপাতাল গুলি। আর এই চুক্তিবদ্ধ নিয়োগ নিয়েও দিনের পর দিন চলছে তালবাহানা। এমনটাই অভিযোগ এবার উঠে এলো রাজ্যের প্রধান সরকারি হাসপাতাল আগরতলা জিবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তাই চুক্তিবদ্ধ কর্মরত স্টাফ নার্সরা সোচ্চার হলেন নিজেদের জরুরী বেশ কয়েকটি দাবি নিয়ে। সোমবার স্টাফ নার্সরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ডেপুটেশন প্রদান করলেন জিবি হাসপাতালের সুপারের নিকট। জানা যায় বিগত করোনা মহামারী চলাকালীন সময় স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ১০০ জন স্টাফ নার্সকে চুক্তিবদ্ধ করে নিয়োগ করা হয়। তখন এই চুক্তিবদ্ধ স্টাফ নার্সরা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে করোণা মহামারী চলাকালীন স্বাস্থ্য পরিষেবা চালিয়ে যায়। তারপর তাদেরকে চুক্তিবদ্ধ অনুযায়ী ছাঁটাই করা হয়। এই ছাঁটাইয়ের কিছুদিন পর আবার ২ মাসের জন্য নিয়োগ করা হয় তাদের। তারপর আবার তাদেরকে ছাঁটাই করা হয়। এছাড়া রয়েছে পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগ। অনেক স্টাফ নার্সের বকেয়া পাওনা রয়েছে। এরই মধ্যে সোমবার সকল স্টাফ নার্সেরা একত্র হয়ে তাদেরকে এক বছরের জন্য নিয়োগ করার দাবি নিয়ে হাসপাতালে সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু হাসপাতালে সুপারকে না পেয়ে এক স্বাস্থ্য অধিকর্তার কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে না তারা। চুক্তির ভিত্তিতেই দীর্ঘমেয়াদি নিয়োগ সহ বকেয়া পারিশ্রমিক মিটিয়ে দেওয়ার দাবি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চাইলেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকার করা সম্ভব হয়নি। তাই দাবি আদারের লক্ষ্যে এবার বাধ্য হয়েই তারা দারস্ত হলেন হাসপাতালের সুপারের। আগামী দিনে তাদের দাবি পূরণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবেন এই স্টাফ নার্সরা। এমনটাই এদিন বার্তা দিলেন চুক্তিবদ্ধ স্টাফ নার্সরা।



