প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি নয় বছর অতিক্রম করে দশ বছরে পা রাখল। আর এক বছর বাদেই নতুন করে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর কুরসী দখল রাখতে অগ্নি পরীক্ষায় সম্মুখীন হবেন তিনি। তাই লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদির নয় বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় কর্মসূচি অঙ্গ হিসাবে গোটা দেশ জুড়ে চলছে এখন নানা কর্মকাণ্ড। মূলত এই নয় বছরে প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত প্রকল্প রূপায়ণ করে বাস্তবায়িত করেছেন সেগুলি জনসম্মুখে তুলে ধরতে একমাস ব্যাপী নানা কর্মযজ্ঞ শুরু করে বিজেপি। ব্যতিক্রম নয় ত্রিপুরাও। গত ৩০ মে থেকে গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে বিজেপি ও তার বিভিন্ন গণসংগঠন গুলির উদ্যোগে নানা কর্মসূচি। গৃহীত কর্মসূচির একটি হলো টিফিন বৈঠক। এই বৈঠকের অর্থ হল টিফিন করার সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বাস্তবায়িত প্রকল্প গুলি প্রত্যেকের কাছে তুলে ধরা। রাজ্যের প্রতিটি মন্ডল স্তরে চলছে এখন এধরনের কর্মসূচি। সর্বভারতীয় ও প্রদেশ বিজেপির কার্যক্রম হিসেবে এবার এই বৈঠক আয়োজন করল বড়জলা মন্ডল। শনিবার এমনটাই দেখা গেল আগরতলা পৌর নিগমের এক নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী লঙ্কামুড়া এলাকায়। স্থানীয় কমিউনিটি হলে আয়োজিত এদিনের এই টিফিন বৈঠকে অন্যতম অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক। এছাড়াও ছিলেন এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক ডঃ দিলীপ কুমার দাস, স্থানীয় কর্পোরেটর মিত্রা রানী দাস মজুমদার সহ মন্ডল সভাপতি ও দলীয় কার্যকর্তারা। এদিনের এই বৈঠক প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পর গোটা দেশে একটা অভাবনীয় পরিবর্তন এসেছে। সেই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে ত্রিপুরা রাজ্যেও। তাই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় বছরের যে সমস্ত প্রকল্প চালু হয়েছে সেগুলি জনসম্মুখে তুলে ধরতেই এই কর্মসূচির আয়োজন। তিনি আরো বলেন, সাংগঠনিক এই কর্মসূচি গোটা রাজ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। প্রত্যেকেই চাইছে প্রধানমন্ত্রীকে তৃতীয়বারের মতো দেখতে। প্রত্যেকেই জানে নর্থইস্ট থেকে প্রাকৃতিকভাবে সূর্য উদয় হয়। কিন্তু নর্থ ইস্টে উন্নয়নের সূর্য উদয় হয়েছে ২০১৪ সাল থেকে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ডবল লাইন রাস্তা, সাতটি দূরপাল্লার ট্রেন চালু, সাব্রুম থেকে চুরাইবাড়ি রেললাইন সম্প্রসারণ, নতুন একাধিক জাতীয় সড়ক সবকিছুই হয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে। মোদিজি প্রধানমন্ত্রী হওয়াতেই তা একমাত্র সম্ভব হয়েছে।