Monday, January 12, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদখড়ার কারণে পাহাড়ে ব্যাহত জুম চাষ

খড়ার কারণে পাহাড়ে ব্যাহত জুম চাষ

অনাবৃষ্টি আর খড়ার কারণে এবার পাহাড়ে ব্যাহত হচ্ছে জুম চাষ। যে কারণে খাদ্যের ঘাটতির আশঙ্কা করছে জুমিয়া পরিবার গুলি। আর এই জুম চাষের উপরে পাহাড়ের একটি বড় অংশ নির্ভরশীল।যা থেকে সারা বছরের খাদ্যের যোগান হয় কিন্তু এবার ফসল ফলাতে পারেনি বৃষ্টি না হওয়াতে। যে কারণে ক্ষতির আশঙ্কা অনুমান করছেন জুমিয়া পরিবার গুলি। তেলিয়ামুড়া মহকুমা ১৮ মুড়া পাহাড়ের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা জমিতে অনাবৃষ্টি আর খড়ার কারণে চাষ করতে পারেনি তেলিয়ামুড়া মহকুমার ১৮ মুড়া পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা গুলিতে বসবাসকারী জুমিয়া পরিবার গুলি। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে জঙ্গল কেটে আগাছা শুকানোর পর এবং আগাছাগুলি পোড়ানোর পর বৈশাখ মাসের শুরু থেকে জুমের বীজ বোনা হয়। তবে এবছর অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে বীজ বপন করতে পারেনি বেশিরভাগ জুমিয়া পরিবার। এরই মধ্যে যারা বীজ বপন করেছে খড়ায় তাদের জমিতে গাছ’ই গজায়নি। আর এর মূল কারণ হচ্ছে সময় মত বৃষ্টি না আসা, এই কারণে জুম চাষের জন্য তৈরি করা জমিতে অনেক জুমিয়া পরিবার গুলি বীজ বপন করতে পারেনি এবং যারা বীজ বপন করেছেন জমিতে খড়ার কারণে সেই গাছ গুলিও মরে গিয়েছে। তবে জুমিয়া পরিবারগুলি জুম চাষের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলের উপর নির্ভর করে বছরের ৬ মাস অতি সহজেই পরিবারের ভরণপোষণ যোগানো সম্ভব হয়। কিন্তু এবছর অনাবৃষ্টি এবং খড়ার ফলে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা বলে পরিচিত মুঙ্গিয়াকমি ব্লকের অধীন নোনাছড়া, কাকড়াছড়া ,১৮মুড়া, তুইকরমা, শ্রীরামখড়া সহ বিভিন্ন এ.ডি.সি ভেলিজ সহ ১৮ মুড়া পাহাড়ের পার্শ্ববর্তী জনজাতি এলাকাগুলিতে জুমিয়া পরিবার গুলি এই বছর জুমে বীজ বপন করতে পারেনি। দীর্ঘদিন জুম চাষ করে আসা এক জুমিয়া চাষী জানান, বাবা মার কাছ থেকে শিখেছেন জুম চাষের পদ্ধতি। আর এই পদ্ধতি অনুসরণ করে দীর্ঘদিন ধরে জুম চাষের উপর নির্ভর করে সংসারের যাবতীয় ভরণপোষণ করে আসছে। বিগত ২৫ বছর পূর্বে এই ধরনের খড়ার পরিস্থিতি হয়েছিল ত্রিপুরা রাজ্যে। সেই সময় পূজা রচনা করেছিল জুমিয়া পরিবারগুলি। বর্তমানে ২৫ বছরের পুরনো সেই খড়ার দিনগুলি ফিরে আসাতে করুন দুঃখ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জুমিয়া পরিবারগুলি। জুম চাষের সময় পুরানো দিনগুলি ফিরে আসাতে পুরান দুঃখ জনক পরিস্থিতির রূপ নেওয়াতে চিন্তার ভাঁজ জুমিয়া পরিবারের মধ্যে। এই সময়ে অনেক জুমিয়া পরিবার গুলি বসত বাড়িতে গোলাটে তুলতো ধান। কিন্তু খাড়া নিয়ে ফিরতে হচ্ছে জমিয়া সহ পরিবারের সকল সদস্যরা। বর্তমানে ২৫ বছর পর পুনরায় সেই খড়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়াতে এই জুমিয়া পরিবার গুলি দাবি বেঁচে থাকার জন্য সরকার যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

two + four =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য