তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধিঃ– ঘটনার বিবরণে জানা যায়,,, কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গামাইবাড়ি এলাকার ভৈরবটিলা অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে নিয়োগ প্রাপ্ত হেল্পারের মৃত্যুর পর স্থানীয় শাসক দলীয় নেতাদের জ্ঞাতসারে এবং নির্দেশক্রমে অনামিকা কপালী ভৌমিক প্রায় দু’বছর ধরে হেল্পারের দায়িত্ব পালন করছেন, বারংবার স্থানীয় পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফ সহ শাসক দলের তরফ থেকে শ্রীমতি কপালী ভৌমিক’কে বৈধভাবে নিয়োগ করা হবে সেই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। এরই মধ্যে বাঁকা পথে রিনা মালাকার দাস নামের জনৈকা মহিলা সংশ্লিষ্ট সেন্টারে বৃহস্পতিবার হেল্পার হিসেবে যোগদান করতে আসলে বাঁধে বিপত্তি । আগে থেকে হেল্পারের দায়িত্ব পালন করা অনামিকা কপালী ভৌমিক সহ এলাকার লোকজনরা এ বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সম্মিলিত ভাবে এলাকার লোকজনরা বাঁকা পথে অর্থের বিনিময়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এমন অভিযোগ সামনে এনে সংশ্লিষ্ট অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টার তালা বন্ধ করে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এলাকার উপ-প্রধান প্রসেনজিৎ মালাকার ,স্থানীয় বুথ সভাপতি নারায়ন সরকার সহ শাসক দলের বিভিন্ন নেতৃত্বরা।
অভিযোগ,, বিক্ষোভ স্থলে এসেই প্রসেনজিৎ মালাকার নামের উপ-প্রধান স্থানীয় সমবেত সাধারণ মানুষদের উদ্দেশ্যে উচ্চবাচ্য করতে থাকেন এবং একপ্রকার শাসাতে থাকেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং এর জের ধরে স্থানীয় মানুষ সমবেতভাবে কিছু উত্তম-মধ্যম দেয় বুথ সভাপতিকে। অবস্থা বেগতিক বুঝে বুথ সভাপতি সহ উপ-প্রধান সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে সংশ্লিষ্ট স্থান ত্যাগ করলেও গোটা এলাকায় এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
এলাকার মানুষজনেদের অভিযোগ, গোটা এলাকার বহু ঘটনার নায়ক উপপ্রধান সাহেব পর্দার আড়ালে টাকার খেলা খেলে এইভাবে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে চাকরি নিয়ে দুই নাম্বারী করেছেন।
পরবর্তীতে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে CDPO অজিত মোহন জমাতিয়া। তিনি এসে এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। এবং আশ্বস্ত করেন যতদিন পর্যন্ত এই ঘটনার সূরাহা না হয় ততদিন পর্যন্ত অনামিকা কপালী ভৌমিক আগের মতো হেল্পারের কাজ করে যাবেন। এই আশ্বাসের পর অবশেষে দীর্ঘ প্রায় তিন থেকে চার ঘন্টা পর তালা মুক্ত হয় ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র।



