দ্বিতীয়বারের মতো মসনদে বসেছে ভারতীয় জনতা পার্টি ও আইপিএফটি -র জোট সরকার। এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মুখ কে হতে চলেছেন তা নিয়ে ছিল জল্পনা। কিন্তু দিল্লি হাই কমান্ড মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আস্থা রেখেছিলেন ডাক্তার মানিক সাহার উপরে। তাই প্রত্যাশিতভাবে ৮ নং টাউন বড়দোয়ালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেন তিনি। দাবিদার ছিলেন প্রতিমা ভৌমিকও। কিন্তু পরিষদীয় বৈঠকে ধনী ভোটে পাশ করেছেন ডাক্তার মানিক সাহা। বলা বাহুল্য পাঁচ বছর যাতে জনগণের জন্য সঠিকভাবে কাজকর্ম পরিচালনা হয় তার জন্য মোদি, শাহ এবং নাড্ডা আস্থা রাখলেন মানিক সাহার উপরেই এবং মানিক সাহার নামের উপর শীলমোহর দিতে ভাবতে হয়নি দিল্লিকে। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে দন্ত চিকিৎসক মানিক সাহা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পাড়ি দেন দিল্লি। সেখানে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, এবং রাষ্ট্রীয় সভাপতিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাজ্যে ফিরে মঙ্গলবার দুপুর বারোটা নাগাদ রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে থেকে মুখ্যমন্ত্রী পা মেলান বিজয় উৎসবে। এদিন ৮ নং টাউন বড়দোয়ালি মন্ডলের পক্ষ থেকে বিজয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিজয় উৎসবের অগ্রভাগে ছিলেন সিংহভাগ মহিলা। এই বিজয় উৎসবে অংশ নেন এলাকায় বিজয়ী প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। পায়ে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে থেকে দলীয় কর্মীদের সাথে আগরতলা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করেন। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির দ্বিতীয় বারের জয় উৎসর্গ করেন কার্যকর্তাদের। কার্যকর্তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণে দ্বিতীয়বার ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকে তিনি এদিন ধন্যবাদ জানান। মুখ্যমন্ত্রী এদিন দাবি করেন গত পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী মার্গ দর্শনে ত্রিপুরায় সরকার কাজ করেছে। সমাজের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছর উন্নয়নকে সামনে রেখে কাজ করবে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বলে জানান তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্যী, মেয়র দীপক মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



